পাণ্ডবেশ্বরে তৃণমূল-সিপিআইএমএল সংঘর্ষ

সিপিআইএমএল এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘর্ষের জেরে গতকাল দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে। গুলিবিদ্ধ হন তিনজন। পুলিসের সামনেই বোমা, গুলি চলে বলে অভিযোগ। শেষে লাঠি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিস। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কয়েকজন সিপিআিএমএল-এ যোগ দেওয়ার ঘটনা ঘিরেই উত্তেজনা ছড়ায়। তার জেরেই বাধে সংঘর্ষ।

Updated: Apr 12, 2012, 10:52 AM IST

সিপিআইএমএল এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘর্ষের জেরে গতকাল দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে। গুলিবিদ্ধ হন তিনজন। পুলিসের সামনেই বোমা, গুলি চলে বলে অভিযোগ। শেষে লাঠি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিস। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কয়েকজন সিপিআিএমএল-এ যোগ দেওয়ার ঘটনা ঘিরেই উত্তেজনা ছড়ায়। তার জেরেই বাধে সংঘর্ষ।
বুধবার দুপুর থেকে শুরু হয়েছিল সিপিআইএমএল এবং তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ। শেষপর্যন্ত লাঠি চালিয়ে পুলিস যখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনল, তখন বেলা গড়িয়ে সন্ধে।
 
 গত সপ্তাহে তৃণমূল নেতা প্রশান্ত কোটালের নেতৃত্বে প্রায় একশজনের ওপর তৃণমূল সমর্থক দল ছেড়ে সিপিআইএমএলে যোগ দেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, তারপর থেকেই প্রশান্ত কোটালের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাংশ। বুধবার দুপুরে পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একদল তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক প্রশান্ত কোটালের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। জানতে পেরে সিপিআইএমএল নেতা-কর্মীরা প্রশান্ত কোটালকে উদ্ধার করতে গেলে দুদলের সংঘর্ষ বাধে। সিপিআইএমএলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ।
 
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিস। পুলিসের সামনেই যথেচ্ছ বোমা, গুলি চলে বলে অভিযোগ। তিনজনের গায়ে গুলি লাগে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন পাণ্ডবেশ্বর থানার ওসির কান ঘেঁষে একটি গুলি বেরিয়ে যায়। এরপরই লাঠি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিস। পুলিসের লাঠির আঘাতে প্রায় কুড়ি জন আহত হন। গুলিবিদ্ধ তিনজনসহ মোট পাঁচজনকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  গ্রেফতার করা হয়েছে আটজনকে। ধৃতদের বেশিরভাগই তৃণমূল সমর্থক বলে জানা গেছে। নতুন করে যাতে অশান্তি না ছড়ায় তার জন্য এলাকায় পুলিস পিকেট বসানো হয়েছে।