অধস্তনকে মারধর, ফের শিরোনামে তেহট্টের এসডিপিও

Update: November 28, 2012 10:26 IST

তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনার দুসপ্তাহের মাথায় বেপরোয়া আচরণের জেরে ফের খবরের শিরোনামে অভিযুক্ত এসডিপিও শৈলেশ শা। মঙ্গলবার সকালে অধঃস্তন এক এএসআইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসডিপিও তাঁকে গুলি করার হুমকিও দিয়েছেন বলেও অভিযোগ। প্রশ্ন উঠছে, তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনায় রাষ্ট্রের সমর্থন পেয়েই কি এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠছেন অভিযুক্ত এসডিপিও?

তেহট্টের ঘটনার পর থেকেই কৃষ্ণনগরে পুলিসের অতিথিশালায় রয়েছেন শৈলেশ শা। মঙ্গলবার সকালে অতিথিদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা এসআই কিশোর দেকে তিনি মারধর করেন। শুধু মারধর নয়, সঙ্গে ছিল হুমকিও।

আহত অবস্থায় এখন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন এসআই কিশোর দে। ঘটনার কথা নিজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও, কেউই তাঁকে লিখিত অভিযোগ জানাতে বলেননি।

যদিও আইন অনুসারে আক্রান্ত এসআই কিশোর দের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ নেওয়া উচিত ছিল। তা না হওয়ায়, অভিযুক্ত পুলিস কর্মীকে আড়াল করার অভিযোগ উঠছে। ঠিক যেমন ঘটেছিল তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনায়। সেবারও গুলি চালানোর কারণ হিসেবে আত্মরক্ষার তত্ত্ব খাড়া করা হয়েছিল।

Post Your Comment

Total Comments:3

Sailesh sha ke maobadi locality te chele deya dorkar...

soiles ke imedietly up or baaper kache pathano uchit.

MONIB JODI SOHAY HOI TOBE KORMOCHARIR SPORDHA DIN DIN BRIDDI PABAI.SOBETO SOKAL SONDHYA HOTE EKHUNO ONEK DERI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।