)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সম্প্রতি শ্যুটিং করতে গিয়ে এক রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর(Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে। পার্কিং নিয়ে তৈরি শুরু এই বচসা গড়ায় পুলিস থেকে শুরু করে কোর্ট অবধি। বৃহস্পতিবার বারাসত আদালতে হাজিরা দেন সোহম। এদিনই জামিন পান বিধায়ক-অভিনেতা। সোহমের এই কাণ্ডে কী বলছে টলিউড?
দেব বলেন, 'সোহম অত্যন্ত বুদ্ধিমান ছেলে, আমার বন্ধুও। কিন্তু বন্ধু বলেই তার সবটা ভালো তেমনটা নয়। আমি যেদিনই শুনেছি, সেদিনই ওকে ফোনে যা আমার বক্তব্য, তা জানিয়েছিলাম। সংবাদমাধ্যমের সামনেও একই মত প্রকাশ করি। আমি মনে করি সোহমের নিয়ম মেনে চলা উচিত।' অন্যদিকে হিরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'এই সোহম আমার বন্ধু নয়। এই সোহমকে আমি চিনি না। এই সোহম ক্ষমতার অপব্যবহারকারী সোহম ৷ তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে পাওয়া ঔদ্ধত্যের নেতা। যে কাজটা সোহম করল তা নিঃসন্দেহে অপরাধ'।
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'সোহম যা করেছে সেটা তার নিজের বিষয়, প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা ভাবনা-চিন্তা থাকে'। পায়েল সরকার বলেন, সোহম তো ক্ষমাও চেয়েছে। আমার মনে হয় হিট অফ দ্য মোমেন্ট ঘটেছে এটা। সোহম ওই ধরনের মানুষ নয়। তবে, যেহেতু পাবলিক ফিগার তাই আরেকটু সংযত হওয়া দরকার ছিল। গায়ে হাত তোলা ঠিক হয়নি।" রূপাঞ্জনা মিত্র বলেন, 'এই ঘটনা নতুন না। আমার সঙ্গেও ঘটেছে এরকম অভব্যতা। তবে, সোহমকে যতদূর চিনি ও খুব নরম মনের এবং ভদ্র ব্যবহার ওর। নিশ্চয়ই এমন কিছু ঘটেছে যা ওঁকে সেই সময়ে উত্যক্ত করেছে। তাছাড়া সোহম তো ক্ষমা চেয়েছে। একজন মানুষ ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাইলে সে ছোট হয়ে যায় না। বরং তার পথ আরও সতর্ক হয়।"
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)