সাফল্য বাংলার! বেলেঘাটা আইডি-তে করোনার প্লাজমা থেরাপির ট্রায়ালে মিলল আশাব্যঞ্জক ফল!

করোনার চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপিতে এ বার আশা জাগালেন বাংলার চিকিৎসক গবেষকরা।

Edited By: সুদীপ দে | Updated By: Aug 3, 2020, 12:36 PM IST
সাফল্য বাংলার! বেলেঘাটা আইডি-তে করোনার প্লাজমা থেরাপির ট্রায়ালে মিলল আশাব্যঞ্জক ফল!
—প্রতীকী চিত্র।

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে সেরে ওঠা ব্যক্তিদের প্লাজমা বা রক্তরসকে কাজে লাগিয়ে এই ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার চেষ্টা বিগত মাস খানক ধরেই চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে করোনার চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপিতে এ বার আশা জাগালেন বাংলার চিকিৎসক গবেষকরা। কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে করোনার চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপির ট্রায়ালে আশাব্যঞ্জক ফল মিলেছে বলে দাবি করেছেন সেখানকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

এই ট্রায়ালের প্রধান পর্যবেক্ষক দীপ্যমান গঙ্গোপাধ্যায় জানান, মোট ১০ জনের উপর প্লাজমা থেরাপির ট্রায়াল চালানো হয়। অন্যান্য সাধারণ রোগীদের তুলনায় প্লাজমা থেরাপি পাওয়া রোগীরা অনেক তাড়তাড়ি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তবে মাত্র ১০ জনের উপরেই প্রাথমিক পর্বের প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা হয়েছে। তাই বৃহত্তর ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা সম্পর্কে এখনই সে ভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। এর জন্য আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন। এই ট্রায়ালের বিস্তারিত তথ্য রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের পাশাপাশি ভারতের বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (CSIR)-এও পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: অনুমতি দিল DCGI, ভারতে শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ডের করোনা টিকার শেষ দুই পর্বের ট্রায়াল!

মাস দুয়েক আগেই কলকাতায় করোনার চিকিৎসায় শুরু হয়েছে প্লাজমা থেরাপির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজেই শুরু হয়েছে নতুন এই চিকিত্সার কাজ। কনভালেসেন্ট কোভিড প্লাজমা প্রক্রিয়াকরণ চলছে জোর কদমে।  ইমিউনো হেমাটোলজি ব্লাড ট্রান্সফিউশন ডিপার্টমেন্টে চলছে এই কাজ। সেল সেপারেটর মেশিনে ব্যবহৃত হচ্ছে এই গোটা প্রক্রিয়ায়। মেডিক্যাল কলেজের পাশাপাশি বেলেঘাটা আইডি-তেও শুরু হয় প্লাজমা থেরাপির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। ইতিমধ্যে কলকাতাতেও তৈরি হতে চলেছে প্লাজমা ব্যাঙ্ক। কলকাতার মেডিকা হাসপাতালে করোনা চিকিত্সার জন্য প্লাজমা থেরাপি তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে করোনার মোকাবিলায় ক্রমশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলা। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের প্লাজমা থেরাপির ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলাফল আশা জাগাচ্ছে চিকিৎসক থেকে সাধারণ মানুষের মনে।