Baguihati Double Murder Prime Accused Arrest: গ্রেফতার ছেলের খুনি সত্যেন্দ্র! 'ওকে ফাঁসি দাও', কাঁদতে কাঁদতে বললেন অতনুর মা

Baguihati Double Murder Prime Accused Arrest:  বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে আততায়ীর এক আত্মীয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের একটি লেনদেনে নজর আটকায় তদন্তকারীদের। তদন্তে উঠে আসে, অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে টাকা পাঠিয়েছে তার জামাইবাবু। আর সেই টাকা তুলেই আততায়ী ভিন রাজ্যে পালানোর চেষ্টা করছে। 

Updated By: Sep 9, 2022, 02:39 PM IST
Baguihati Double Murder Prime Accused Arrest: গ্রেফতার ছেলের খুনি সত্যেন্দ্র! 'ওকে ফাঁসি দাও', কাঁদতে কাঁদতে বললেন অতনুর মা
নিজস্ব চিত্র

পিয়ালি মিত্র ও সৌমেন ভট্টাচার্য: গ্রেফতার বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরী। বিধাননগর পুলিসের গোয়েন্দা শাখা গ্রেফতার করে সত্যেন্দ্রকে। ভিন রাজ্যে পালানোর পরিকল্পনা ছিল সত্যেন্দ্রর। হাওড়া স্টেশন চত্বর সংলগ্ন একটি ট্রাভেল এজেন্সির অফিসে বসে টিকিট কাটছিল সে। সেইসময় তাকে গ্রেফতার করে পুলিস। এমনটাই জানা যাচ্ছে। 

বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত তথা ধৃত সত্যেন্দ্র চৌধুরী আদতে বিহারের বাসিন্দা। বাগুইআটির বাসিন্দা দুই ছাত্র অতনু দে ও অভিষেক নস্করকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এই সত্যেন্দ্র। অপহরণের পর বাসন্তী হাইওয়ের উপর চলন্ত গাড়িতে খুন করা হয় দুই ছাত্রকে। খুনের ছক কষা হয়েছিল নিউটাউনের একটি হোটেলে। এখন কী কারণে খুন দুই ছাত্রকে? বাইক কেনার টাকা নিয়ে বিবাদ? নাকি খুনের পিছনে রয়েছে অন্য মোটিভ? ধৃতকে জেরা করেই তার উত্তর মিলবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।  

ধৃত সত্যেন্দ্র চৌধুরীর ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন নিহত অতনুর হতভাগ্য মা। কাঁদতে কাঁদতেই বলেন, 'ওকে ফাঁসি দাও। পুলিস তৎপর হলে আমি ছেলেকে এভাবে পেতাম না। ওকে হারাতাম না। আমি তো ছেলেটাকে দেখতেও পাইনি।' প্রসঙ্গত, বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে পুলিসের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও। প্রশাসনিক বৈঠকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ৭ দিনের মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। বাগুইআটি থানার আইসিকে ক্লোজ করার পাশাপাশি তদন্তভার দেওয়া হয়েছিল সিআইডি-কেও। 

আরও পড়ুন, Baguiati Student Death: স্থানীয় পুলিসের অপদার্থতার জন্য ১২ দিন বাদে অভিষেকদের খবর সামনে এল: ফিরহাদ

অভিযুক্তের খোঁজে একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিস ও সিআইডি। সেইসময়ই আততায়ীর এক আত্মীয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনেদেন নজর পড়ে। একটি লেনদেনে নজর আটকায় তদন্তকারীদের। এটিএম থেকে টাকা তোলা হয়েছে বুঝতে পারেন তাঁরা। তদন্তে উঠে আসে, অভিযুক্ত সত্যেন্দ্রকে টাকা পাঠিয়েছে তার জামাইবাবু। আর সেই টাকা তুলেই আততায়ী ভিন রাজ্যে পালানোর চেষ্টা করছে। যদিও মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিল না সত্যেন্দ্র। অন্য একটি নতুন নম্বর থেকে ফোন করছিল সে। সেই নম্বরের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করেই পুলিস সত্যেন্দ্র অবধি পৌঁছয়। পুলিস যখন তাকে গ্রেফতার করে, তখন সে টিকিট কাটার জন্য ট্রাভেল এজেন্সিতে বসেছিল।

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)

.