ফের বিস্ফোরক রাহুল, এবার রাজনীতির ঝান্ডা ধরার ‘নিদান’ দিলেন নোবেলজয়ী অভিজিত্কে

রবিবার, রাহুল সিনহার মন্তব্য, মোদীর সঙ্গে দেখা করতেই পারেন অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়। দেখা করাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নোবেল পাওয়ার আগে এবং পরে যেভাবে অভিজিত্ রাজনীতি করছেন, তা উচিত নয়

Reported By: তন্ময় প্রামাণিক | Updated By: Oct 20, 2019, 01:05 PM IST
ফের বিস্ফোরক রাহুল, এবার রাজনীতির ঝান্ডা ধরার ‘নিদান’ দিলেন নোবেলজয়ী অভিজিত্কে
নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন: অনুতপ্ত নন, অভিজিত্ বিতর্কিত মন্তব্যে আরও বেশি উত্তপ্ত বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। এবার বললেন, অর্থনীতি ছেড়ে রাজনীতির ঝান্ডা ধরুন অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নোবেল জয়ে গর্বিত, কিন্তু রাজনীতি করাটা রাহুলের না পসন্দ। তিনি মনে করেন, অর্থনীতিবিদ শুধুমাত্র অর্থনীতি নিয়েই চিন্তা করা উচিত। রাজনীতি তাঁর বিষয় নয়। আরও যদি বিষয় হয়, তাহলে ঝান্ডা ধরার পরামর্শ বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের। তাঁর এ হেন মন্তব্যে ফের উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।

শুক্রবার নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল সিনহা। তাঁর কথায়, “যাঁদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদেশি, নোবেল পান তাঁরাই।” এই মন্তব্যে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও কটাক্ষ করা হয় বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন অমর্ত্য সেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন ইতালিয়ান অর্থনীতিবিদ ইভা কোলোরনি। অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী এস্থার দুফলো যৌথভাবে সম্প্রতি নোবেল পেয়েছেন।

রবিবার, রাহুল সিনহার মন্তব্য, মোদীর সঙ্গে দেখা করতেই পারেন অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়। দেখা করাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নোবেল পাওয়ার আগে এবং পরে যেভাবে অভিজিত্ রাজনীতি করছেন, তা উচিত নয়। রাহুলের ‘নিদান’, অর্থনীতিবিদ অর্থনীতি নিয়ে চিন্তা করবেন। কিন্তু অর্থনীতিবিদ যদি রাজনীতি করেন, কোনও দলকে আঘাত বা ছোটো করেন, সেটা মেনে নেওয়া যায় না। রাহুলের কথায়, “প্রধানমন্ত্রীকেও আঘাত করতে ছাড়েন না তিনি।”

আরও পড়ুন- নবমীতে রাত দেড়টায় বান্ধবীকে নামানোর পর খুন দেবাঞ্জন, পিছনের সিট থেকে গুলি

অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিন্তা দেশের মানুষ খারিজ করে দিয়েছে বলে দাবি রাহুল সিনহার। প্রসঙ্গত, এই একই সুরে অভিজিত্কে কটাক্ষ করেছিলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। অভিজিত্কে ‘বামপন্থী মনোভাবাপন্ন’ বলে ব্যাখ্যা করে বলেন, কংগ্রেসের আর্থিক প্রকল্প ন্যায়কে সমর্থন জানিয়েছিলেন অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ধরাশায়ী হওয়ায়, ওই প্রকল্পও প্রত্যাখ্যান করেছে দেশের মানুষ। সেই কারণে অভিজিতের ভাবনাও খারিজ হয়ে গেছে। রাহুল সিনহা এ দিন বলেন, “সারা দেশের মানুষ তাঁর চিন্তাকে বরখাস্ত করেছে। ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। তাঁর ভাবনার কোনও মূল্য নেই, প্রমাণ হয়ে গেছে।”  বিদেশিনী বিতর্কে, রাহুলের সাফ কথা, “এই মন্তব্য প্রত্যাহার করছি না। যা ঘটনা সেটাই বলেছি।”