তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট আইবি-র হাতে, তাও কীভাবে রাজ্যসভার টিকিট পেলেন ইমরান?

Updated By: Dec 16, 2014, 11:53 PM IST
তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট আইবি-র হাতে, তাও কীভাবে রাজ্যসভার টিকিট পেলেন ইমরান?

গোষ্ঠী সংঘর্ষের চক্রান্ত নিয়ে আহমেদ হাসান ইমরানের বিরুদ্ধে আইবি-র রিপোর্ট হাতে পেয়েছে এনআইএ। চব্বিশ ঘণ্টার হাতেও এসেছে সেই রিপোর্ট। এত বড় অভিযোগের পরও ইমরান কী ভাবে রাজ্যসভার টিকিট পেলেন, সেটাই এখন বুঝতে চাইছেন এনআইএ-র গোয়েন্দারা।

সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তে সিবিআই, ইডির আতস কাঁচের নীচে তৃণমূল সাংসদ আহমেদ হাসান ইমরান। ইমরানের হাত দিয়ে সারদার টাকা বাংলাদেশে জামাতের হাতে গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর জানা গেছে, জঙ্গিদের বর্ধমান মডিউলটি বাংলাদেশ থেকেই নিয়ন্ত্রিত হতো। তদন্তে নেমে এনআইএ-র হাতে এসেছে স্বরাষ্ট্র দফতরে পাঠানো রাজ্যের আইবি-র একটি রিপোর্ট। যে রিপোর্ট রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছে এনআইএ-র গোয়েন্দাদের।

২০১৩-র উনিশে ফেব্রুয়ারি ক্যানিংয়ে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র দফতরে গোপন রিপোর্ট জমা দেয় আইবি। সেখানে আহমেদ হাসান ইমরানের বিরুদ্ধে ছিল গুরুতর অভিযোগ।  
চব্বিশে ফেব্রুয়ারির সেই রিপোর্টে বলা হয়, নলিয়াখালির ঘটনায় জড়িতদের সঙ্গে সিমির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক আহমেদ হাসান ইমরানের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।

সিমি নিষিদ্ধ হওয়ার পর এসআইও নামে একটি সংগঠনে যোগ দেন ইমরান। ইমরান পার্ক সার্কাস থেকে একাধিক যুবককে নলিয়াখালি পাঠান, যাঁরা বোমা ও অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে গ্রামে হামলা চালায়। রাজাবাজার, মেটিয়াবুরুজ, মগরাহাট, বাসন্তী থেকেও বহু যুবক ইমরানের নির্দেশে নলিয়াখালিতে যান। গোষ্ঠী সংঘর্ষের পরের দিন কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে কট্টরপন্থীদের সঙ্গে আহমেদ হাসান ইমরানের বৈঠকে নলিয়াখালির ঘটনা ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।

কলম পত্রিকার সঙ্গে ইমরানের যোগাযোগ এবং দেশের বাইরে থেকে তাঁর হাতে টাকার যোগানের মতো বিষয়ও আইবি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা রিপোর্টে আহমেদ হাসান ইমরানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও শাসকদল কেন তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে মনোনয়ন দিল, সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে এনআইএ।