ভবানীপুর কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৫ জন জয়েন্ট সিপি (Joint CP) পদমর্যাদার আধিকারিক থাকছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভবানীপুরের উপনির্বাচনের দিন শহরের নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে লালবাজার। বুধবার থেকেই ভবানপুর কেন্দ্রে বাড়তি ফোর্স মোতায়েন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি কলকাতা পুলিস বৃস্পতিবার ঘিরে রাখবে ভবানীপুর কেন্দ্র।
ভবানীপুর কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৫ জন জয়েন্ট সিপি (Joint CP) পদমর্যাদার আধিকারিক থাকছেন। সঙ্গে থাকছেন ১৪ জন ডেপুটি কমিশনার (Deputy Commissioner) ও ১৪ জন অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার (Assistant Commissioner)। এছাড়াও থাকছে ৯টি স্ট্রাইকিং ফোর্স (Striking Force), ১৩টি কিউ আর টি (QRT) ভ্যান, ৯টি ফ্লাইং স্কোয়াড (Flying Squad)। এছাড়াও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে র্যাফ (RAF)। র্যাফে (RAF) থাকবেন মহিলা অফিসারও। পাশেই নদী থাকায় চলবে রিভার প্যাট্রোলিংও।
এর সঙ্গেই ৩৮টি জায়গায় পিকেট করা হচ্ছে। ভোর ৫.৩০টা থেকে থাকবেন ১০০ জন ট্রাফিক সার্জেন। এর মধ্যে শুধুমাত্র ভবানীপুর কেন্দ্রেই থাকবে ৭টি নাকা চেকিং পয়েন্ট। ভবানীপুর কেন্দ্রের বিভিন্ন অঞ্চল যেখানে পুলিসের বড় গাড়ি প্রবেশ করতে সমস্যা হবে সেখানে থাকবে বাইক বাহিনী। ভবানীপুর কেন্দ্রের ৯টা থানার প্রতিটিতে ২টি করে মোটর সাইকেল ইউনিট থাকবে। এছাড়াও ১৫ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করা হচ্ছে শুধুমাত্র ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য।
ভবানীপুরের প্রচার ঘিরে তৃণমূল (TMC) এবং BJP-র তুঙ্গে ওঠে তরজা। দিলীপ ঘোষের উপরে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরপরেই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করে BJP-র প্রতিনিধি দল। ভবানীপুর উপনির্বাচনে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বুধবারই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করে বাম প্রতিনিধিদল। CEO-র সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা অভিযোগ জানায় লালবাজারে বৈঠক করে শাসকদলের হয়ে একপেশে ভোট করানোর চেষ্টা করছে পুলিস।