)
নিজস্ব প্রতিবেদন: তিনি নিজে পেশায় চিকিৎসক। বিপদের আঁচ পেয়ে গিয়েছিলেন আগেই। করোনা সংক্রমণের কবলে এবার রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী, শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা (Sashi Panja)। আপাতত হোম আইসোলেশন রয়েছেন। অডিও বার্তায় এলাকায় প্রচার চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দলের কর্মীদের।
'সার্কুলার নয়, পদক্ষেপ চাই'। করোনাকালে কমিশনকে তুলোধনা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিধানসভা নির্বাচনের দফায় কমানোর দাবিতে ফের কমিশনে চিঠি দিয়েছে তৃণমূল। ভোটের মরশুমে কিন্তু বিপদ বাড়ছে প্রার্থীদেরও। গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন শশী পাঁজা। বুধবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এরপর আর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তিনি। বৃহস্পতিবার পজিটিভি রিপোর্ট আসে। এদিন অডিও বার্তায় নিজেই সংক্রমিত খবর জানিয়েছেন শ্যামপুকুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী।
২৯ এপ্রিল, অষ্টম দফায় ভোট উত্তর কলকাতার ৭টি আসনে। অডিও বার্তা তৃণমূল কর্মীদের শশী পাঁজার নির্দেশ, অটোয় চেপে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার চালিয়ে যেতে হবে। নির্দিষ্ট স্থান থেকে সংগ্রহ করে এলাকায় বিলি করতে হবে ভোটার স্লিপ। ২৮ এপ্রিল আবার শ্যামপুকুর ও জোড়াসাঁকোয় রোড-শো করার কথা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ওই রোড-শোয় থাকছেন না শশী। এদিকে বুধবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র (Madan Mitra)। কোভিড নিউমোনিয়া ধরা পড়েছে। পঞ্চম দফায় ভোটের দিনেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মদন। চিকিৎসকদের পরামর্শ বিশ্রাম নিচ্ছেন বাড়িতে। এরপর শারীরিক অবস্থায় অবনতি হওয়ায় তাঁর ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।