সোনারপুরে নিগৃহীতার পাশে দাঁড়ালেন স্থানীয় বিধায়ক

সোনারপুরে মহিলা নিগ্রহের ঘটনায় এবার ধৃত কর্মীদের পাশে দাঁড়ালেন স্থানীয় বিধায়ক। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গিয়ে পুলিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন তিনি। একইসঙ্গে, নির্যাতিতা মহিলার বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ করলেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর।  

Updated By: Aug 22, 2012, 01:09 PM IST

সোনারপুরে মহিলা নিগ্রহের ঘটনায় এবার ধৃত কর্মীদের পাশে দাঁড়ালেন স্থানীয় বিধায়ক। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গিয়ে পুলিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন তিনি। একইসঙ্গে, নির্যাতিতা মহিলার বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ করলেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর।  
সোনারপুরের চণ্ডীতলায় নিজের জমিতে বাড়ি করতে গিয়ে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের বাধার মুখে পড়েছিলেন স্মৃতি মুখোপাধ্যায়। স্থানীয় কাউন্সিলর শ্যামলী গায়েনের দাবি মতো তৃণমূল তহবিলে মোটা অঙ্কের চাঁদা না দেওয়ায় তাঁকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিস। ধৃতেরা হল, অভিজিত সাহা ওরফে ছোটন, সুমন, সোমনাথ নন্দী, রাম দলুই ও রাজা সাহা। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে পুলিসকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু, স্থানীয় নেতৃত্ব অভিযুক্তদেরই পাশে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে নির্যাতিতা মহিলার বিরুদ্ধে এখন পাল্টা অভিযোগ আনছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর। এই ঘটনায় একইসঙ্গে পুলিসের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। আবার অভিযুক্তদের পাশে দাঁড়ানোয় শাসকদলের বিরুদ্ধে পুলিসকে প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে।
১৯৯৭ সালে সোনারপুরের চণ্ডীতলায় দুকাঠা জায়গা কিনেছিলেন দিল্লির বাসিন্দা স্মৃতি মুখোপাধ্যায়। অভিযোগ, গত এপ্রিলে সেখানে বাড়ি করতে গিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বাধার মুখে পড়েন তিনি। সোনারপুর-রাজপুর পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্যামলী গায়েন ও তাঁর স্বামী সুশান্ত গায়েন পার্টি ফান্ডে মোটা টাকা জমা দিতে বলেন বলে মহিলার অভিযোগ। স্মৃতি মুখোপাধ্যায় সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তৃণমূল নেতা মুকুল রায় ও সুব্রত বক্সিরও দ্বারস্থ হন তিনি। সুব্রত বক্সির নির্দেশে সোনারপুর থানার পুলিস গত ১২ অগাস্ট স্মৃতি মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে তাঁর জমিতে যায়। সবপক্ষের উপস্থিতিতে জমি জরিপ করে মহিলার অংশ চিহ্নিত হয়। কিন্তু, পরের দিনই নিজের জমিতে পাঁচিল তুলতে গিয়ে ফের বাধার মুখে পড়েন স্মৃতি মুখোপাধ্যায়। স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন বলেও অভিযোগ। অচৈতন্য স্মৃতি মুখোপাধ্যায়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিস।