)
নিজস্ব প্রতিবেদন : নিউটাউন কাণ্ডে তদন্তের জাল গোটাচ্ছে পুলিস। টানা জেরার মুখে বয়ান বদল করলেন মৃত আইনজীবীর স্ত্রী।
পুলিসি জেরার মুখে আইনজীবীর স্ত্রী অনিন্দিতার দাবি, স্বামী রজত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ভয়ে সেকথা তিনি পুলিসকে বলতে পারেননি। কিন্তু, অনিন্দিতার এই দাবি মানতে নারাজ পুলিস। প্রশ্ন উঠছে, ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলে দড়ি কোথায়? কেন-ই বা প্রমাণ লোপাট করলেন অনিন্দিতা? এখনও পর্যন্ত আত্মহত্যার কোনও প্রমাণও মেলেনি।
অন্যদিকে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, শ্বাসরোধেই মৃত্যু হয়েছে আইনজীবী রজত দে-র। পুলিস সূত্রে খবর, অত্যন্ত সরু কিছু দিয়ে রজতের গলায় ফাঁস দেওয়া হয়েছিল। গলার চিহ্ন এতটাই সুক্ষ ছিল যে সেভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। রিপোর্টে স্পষ্ট, রজতের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শ্বাসরোধের কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে খুন, ষড়যন্ত্র ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের মামলা রুজু করেছে পুলিস।
প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর নিউটাউনের ডিবি ব্লকের ফ্ল্যাটে উদ্ধার হয় হাইকোর্টের আইনজীবী রজত কুমার দে-র দেহ। সেদিন রাতে বাইরে খেতে গিয়েছিলেন দম্পতি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সেই জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ। রজত দে-কে সংজ্ঞাহীন করার জন্য কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে। ভিসেরা টেস্টের জন্য ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে নমুনা।
সেদিন শিশুপুত্র ও পোষ্যকেও বাড়িতে রাখা হয়নি। কেন তাদের বাড়িতে রাখা হয়নি, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিস। ফোনে কথা বলা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হত রজত দে'র। অনিন্দিতা পালও পেশায় আইনজীবী। তাঁর বিরুদ্ধেই ছেলেকে খুনের অভিযোগ তুলেছেন রজতের বাবা। অনিন্দিতা দে-র কললিস্ট খতিয়ে দেখছে পুলিস।