সংকল্প পত্রে পাঁচ বছরের দিশা দিয়ে মোদী যেন ফের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা

'২০২২ সালে দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পালিত হবে। এই বছরকে লক্ষ্য করে সরকার ৭৫টি পদক্ষেপ পূরণ করবে'

Updated By: Apr 8, 2019, 02:06 PM IST
সংকল্প পত্রে পাঁচ বছরের দিশা দিয়ে মোদী যেন ফের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা

নিজস্ব প্রতিবেদন: গত পাঁচ বছরে দেশে স্বচ্ছতার চর্চা হয়েছে। বিজেপির ইস্তেহার ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশপাশি নরেন্দ্র মোদী গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটি বলেন সেটি হল, ২০২২ সালকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়েই এই ইস্তেহার তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন-মোদীজি দেশকে যে সুনাম এনে দিয়েছেন তা নেহরু-গান্ধী পরিবারের কেউ পারেননি: বরুণ গান্ধী

লোকসভা নির্বাচন শুরু হতে আর মাত্র দুদিন বাকী। ফলে বিজেপির ইস্তেহার নিয়ে আগ্রহ ছিল মানুষের। অনুপ্রবেশ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বিজেপির তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তবে বিজেপির সদর দফতরে ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন মূলত তিনটি বিষয়ের ওপরে এবার জোর দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল সুশাসন, জাতীয়তাবাদ ও অন্ত্যোদয়।

আরও পড়ুন-প্রথম দফা নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা খতিয়ে দেখতে আজ মুর্শিদাবাদে দুবে

একাধিক ইস্যুতে ২০২২ সালকে লক্ষ্যমাত্র ধরে কথা বলে এসেছে বিজেপি। ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে সেকথাই বললেন মোদী। তিনি বলেন, ২০২২ সালে দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পালিত হবে। এই বছরকে টার্গেট করে সরকার ৭৫টি পদক্ষেপ পূরণ করবে। এতদিন বাধ্যবাধকতার জন্য বহু কাজ হয়ে ওঠেনি। আগামী পাঁচ বছর মানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্যে আরও কাজ করবে সরকার।

দেশের সামনে একাধিক চ্যালেঞ্জ আসছে বলে উল্লেখ করেন মোদী। এর একটি হল পানীয় জল। এর জন্য সরকার তৈরি করবে জলশক্তি মন্ত্রক। গুজরাট, রাজস্থান, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে পানীয় জলের সংকট রয়েছে। তা সমাধান করার চেষ্টা করবে সরকার।

আগামীতে কী করা হবে তার একটা দিশা দেন মোদী। ফলে প্রতিশ্রুতি না বলে এই ইস্তেহারকে সংকল্প পত্র বলছে বিজেপি। তবে গত পাঁচ বছরে সরকার কী করতে পেরেছে তারও লম্বা তালিকাও হাজির করেন মোদী। এর মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষের বাড়িতে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া। মোদীর দাবি সরকার দেশের ১২৫ কোটি মানুষের বাড়িতে গ্যাস পৌঁছে দিতে পেরেছে। কৃষক, দিন মজুরদের জন্য পেনশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে আগামীতে বড় কাজ হল সত্য প্রতিষ্ঠা করে দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। গ্রাম ও শহরের উন্নয়নকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।