বরুণ সেনগুপ্ত: ধর্ম যার যার বড়মা সবার। এই বিশ্বাস নিয়েই ১০১ বছর ধরে পূজিতা হয়ে আসছেন নৈহাটির বড় মা। প্রথম দিকে বড়মার পুজোর নাম ছিল ভবেশ কালী। কারণ, ভবতোষ চক্রবর্তীর ও তাঁর পাঁচ বন্ধু মিলে এই পুজো শুরু করেছিলেন।
1/6ভবেশ কালীই পরবর্তী কালে 'বড় কালী' নামে পরিচিতি পান। আজ সেই মা সবার 'বড় মা'। শুধুমাত্র বাংলা নয়, সারা রাজ্যের, সারা দেশের নানা প্রান্ত থেকে ভক্তদের দল ছুটে আসেন এখানে।
2/6এমনকি দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশ থেকেও ভক্তরা বড় মার টানে আসেন। তাঁরা পুজো দেন, মানত করেন। আর তাঁর কাছে মানত করে তার ফলও পান ভক্তদল-- এমনই বিশ্বাস তাঁদের।
3/6বর্তমানে মায়ের গয়না ১০০ ভরি সোনার, এর সঙ্গে রয়েছে ২০০ কেজি রুপোর গয়নাও। বড় মায়ের পুজোর কোনও চাঁদা নেওয়া হয় না। দান বাক্স অবশ্য থাকে। ভক্তেরা সেখানে মায়ের পুজোর জন্য নিজেদের সাধ্যমতো দান করেন। তাতেই হয় মায়ের পুজো।
4/6বর্তমানের একটি মন্দির তৈরি হয়েছে সেখানেই বারো মাস বড় মায়ের পুজো হয়। হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন সেখানে পুজো দেন। নির্মাণ হয়েছে কষ্টি পাথরের মায়ের মূর্তি।
5/6বড়মার পূজো হয় বৈষ্ণবমতে। কোনও বলি প্রথা এখানে চালু নেই।
6/6নৈহাটির যত পুজো আছে সবার আগে বড়মার পুজো হয়, তার পরে অন্যান্য পুজো শুরু হয়। একই ভাবে সবার আগে বড় মার বিসর্জন হয়, তার পরে অন্যান্য পুজোর বিসর্জন হয়।