HMPV Advisory: আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। দেশে HMPV ভাইরাসের প্রথম হদিশ পাওয়ার পর থেকেই হইচই পড়ে গিয়েছে। লকডাউনের আশঙ্কাতেও শঙ্কিত সাধারণ মানুষ। এরপরই ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে অ্যাডভাইসারি জারি করা হয়েছে।
1/6জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সোমবারই ভারতে মিলেছে এইচএমপিভি- হদিশ। তারপর থেকেই জনমানসে আতঙ্ক ছড়িয়ে। এই ভাইরাসে মূলত আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।
2/6এরই মধ্যে কেন্দ্র জানিয়েছে, চিনে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে এইচএমপি ভাইরাসের সংক্রমণের কোনও যোগ নেই।দেশের শীর্ষস্থানীয় মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠান আইসিএমআরও মুখ খুলেছে।
3/6২০০১ সালে প্রথম এই ভাইরাসকে শনাক্ত করা হয়। ফলে এটা নতুন কোনও ভাইরাস নয়। হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস নেদারল্যান্ডে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। এটি নিউমোভিরিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি আরএনএ ভাইরাস, যা মূলত শ্বাস-প্রশ্বাসের ফোঁটা এবং দূষিত পৃষ্ঠের সংস্পর্শে ছড়ায়।
4/6আইসিএমআর জানিয়েছে, ICMR এবং ইন্টিগ্রেটেড ডিজিজ সার্ভিল্যান্স প্রোগ্রাম (IDSP) নেটওয়ার্কের বর্তমান ডেটার উপর ভিত্তি করে, দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা-লাইক ইলনেস (ILI) বা গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা (SARI) ক্ষেত্রে কোনও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটেনি বলে দেখা গিয়েছে।
5/6সোমবার ভারতে পাঁচ শিশুর এইচএমপিভি সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়। তারপরই মোট আটটি কেস ধরা পড়ে।
6/6দেশবাসীর উদ্দেশে ভিডিয়ো বার্তায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, যে কোনও বয়সের মানুষই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। প্যানিক করার কারণ নেই। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকও।