আইপিএল মানেই বাইশ গজে মারকাটারি ক্রিকেট। ২০০৮ থেকে ২০২১ পর্যন্ত এই ক্রোড়পতি লিগকে ঘিরে গড়েছে একের পর এক রেকর্ড। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর এখনও পর্যন্ত ট্রফি জিততে না পারলেও সেই দলের ক্রিস গেইল, বিরাট কোহলি ও এবি ডিভিলিয়ার্স একাধিক নজিরের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সেই ১০টি অবিশ্বাস্য ঘটনার দিকে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।
নিজস্ব প্রতিবেদন: আইপিএল মানেই বাইশ গজে মারকাটারি ক্রিকেট। ২০০৮ থেকে ২০২১ পর্যন্ত এই ক্রোড়পতি লিগকে ঘিরে গড়েছে একের পর এক রেকর্ড। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর এখনও পর্যন্ত ট্রফি জিততে না পারলেও সেই দলের ক্রিস গেইল, বিরাট কোহলি ও এবি ডিভিলিয়ার্স একাধিক নজিরের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সেই ১০টি অবিশ্বাস্য ঘটনার দিকে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।
1/10২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল সাহারা পুনে ওয়ারিয়ার্সের বোলারদের কচুকাটা করেছিলেন 'ইউনিভার্স বস'। সেই ম্যাচে মাত্র ৬৬ বলে ১৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন এই বাঁহাতি ওপেনার। মেরেছিলেন ১৩টি চার ও ১৭টি ছয়। স্ট্রাইক রেট ২৬৫.১৫। আইপিএল-এর ইতিহাসে এটাই এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কেউ এতগুলি শতরান করতে পারেন তা এই ফর্ম্যাট শুরুর আগে অনেকেরই ধারণা ছিল না। তবে সেই সমস্ত ধারণাকে ব্যাট হাতে মাঠের বাইরে করে দিয়েছেন ক্রিস্টোফার হেনরি গেইল।
2/10২০১৩ সালে পুনের বিরুদ্ধে ১৭৫ রান করার ম্যাচে মাত্র ৩০ বলে শতরান পূর্ণ করেন ক্রিস গেইল। এত কম বলে কোনও ধরনের ক্রিকেটে কেউ শতরান করেননি। ৬৬ বলে ১৭৫ রান করেন তিনি। সেই রেকর্ড এখনও অক্ষত রয়েছে।
3/10পুনের বিরুদ্ধে গেইলের ১৭৫ রান করার ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট ২৬৩ রান তোলে আরসিবি। ক্রোড়পতি লিগের ইতিহাসে এটাই এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ দলীয় রান। সেই ম্যাচে পুনেকে ৯ উইকেটে ১৩৩ রানে আটকে দিয়ে ১৩০ রানে জিতে যায় আরসিবি।
4/10পুনের বিরুদ্ধে যে ম্যাচে ১৭৫ নট আউট ছিলেন গেইল, সেই ম্যাচেই একা ১৭টি ছয় মারেন তিনি। সেই রেকর্ড আজও অক্ষত রয়েছে। সেই ম্যাচে বিপক্ষের কোনও বোলার গেইলের সংহার থেকে রেহাই পায়নি।
5/10এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ১৯টি চার মারার রেকর্ড রয়েছে এবি ডিভিলিয়ার্স ও পল ভালথাটির। ডিভিলিয়ার্স ২০১৫ সালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৫৯ বলে ১৩৩ রান করেছিলেন। সেই ম্যাচেই এই রেকর্ড গড়েছিলেন ডিভিলিয়ার্স। অন্যদিকে ভালথাটি ২০১১ সালে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে একটি ম্যাচে এত সংখ্যক চার মেরেছিলেন। সেই ম্যাচে ৬৩ বলে ১২০ রান করেছিলেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
6/10২০১৬ সালের আইপিএল-এ ১৬টি ইনিংসে ৯৭৩ রান করেছিলেন বিরাট কোহলি। এর মধ্যে ছিল চারটি শতরান ও ৭টি অর্ধশতরান। এক মরসুমে প্রায় এক হাজার রানের গন্ডি এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যাটার টপকাতে পারেননি।
7/10২০১৬ আইপিএল-এ মোট ৪টি শতরান করেছিলেন বিরাট কোহলি। এক মরসুমে এতগুলি শতরানের রেকর্ড আর কারও নেই। ক্রিস গেইল, হাশিম আমলা, শিখর ধাওয়ান,শেন ওয়াটসনরা এক মরসুমে দুটি করে শতরান করেছিলেন।
8/10২০১৯ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আগুনে পেস বোলিং করেন আলজারী জোসেফ। ৩.৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন এই ডানহাতি ক্যারিবিয়ান জোরে বোলার। তাঁর দাপটে মাত্র ৯৬ রানে গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদ। ফলে ১৩৬ রানের পুঁজি নিয়েও ৪০ রানে জিতে যায় রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এর আগে এই রেকর্ড পাকিস্তানের সোহেল তনভীরের দখলে ছিল। ২০০৮ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে চার ওভারে ১৪ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন রাজস্থান রয়্যালসে খেলা এই বোলার।
9/10যে কোনও উইকেটে আইপিএল-এ সর্বোচ্চ পার্টনারশিপের রেকর্ড রয়েছে এবি ডিভিলিয়ার্স ও বিরাট কোহলির মধ্যে। ২০১৬ সালে গুজরাত লায়ন্সের বিরুদ্ধে ২২৯ রানের পার্টনারশিপ করেন দুজনে। কোহলি ৫৫ বলে ১০৯ রান করেন। 'মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি' এবি ৫২ বলে ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ফলে ৩ উইকেটে ২৪৮ রান তুলে ১৪৪ রানে জিতে যায় আরসিবি।
10/10এক মরসুমে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড ডোয়েন ব্র্যাভোর দখলে রয়েছে। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ২০১৩ মরসুমে সর্বোচ্চ ৩২টি উইকেট নিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। খেলেছিলেন ১৮টি ম্যাচ। ২০২০ সালে খুব কাছে পৌঁছে যান কাগিসো রাবাদা। দিল্লি ক্যাপিটালসের এই ডানহাতি জোরে বোলার ১৭ ম্যাচে ৩০ উইকেট নিয়েছিলেন। ফলে 'ডিজে ব্র্যাভো'-র রেকর্ড এখনও সেই রেকর্ড অক্ষত রয়েছে।