)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভারতীয় ক্রিকেটের বহু বছরের ট্র্য়াডিশন কি ভাঙতে চলেছে? এক কোচের তত্ত্বকে অতীত করে এবার জোড়া ফলায় বিশ্ব শাসনের পথে বিসিসিআই (BCCI)! জোরাল হল এই সম্ভাবনাই। সব ফরম্য়াটে এক কোচের বদলে এবার দুই কোচ!
গৌতম গম্ভীর যে রাহুল দ্রাবিড়ের জুতোয় পা গলিয়ে, রোহিত শর্মাদের মাথায় বসতে চলেছেন, তা একপ্রকার নিশ্চিত ভাবেই বলে দেওয়া যায়। গম্ভীরের ইন্টারভিউও দেওয়া হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্য়ে। তাহলে গম্ভীরের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কে কাজ করতে চলেছেন? ভারতের দ্বিতীয় কোচ হিসেবে ডব্লিউভি রমনের নাম ভেসে উঠল কোচ হওয়ার দৌড়ে।
একথা ভুললে চলবে না যে, গম্ভীর জীবনে কোনও দিন কোচিং করাননি। তিনি আইপিএলে লখনউ সুপার জায়েন্টস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টরের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানেও তাঁকে কোচ হিসেবে দেখা যায়নি। তবে লখনউয়ের মেন্টর হিসেবে দু'বারই দলকে তুলেছেন প্লেঅফে। আর এবার তো কেকেআরের দায়িত্ব নিয়েই জেতালেন ট্রফি। ভারতীয় দলের বহু ক্রিকেটারের সঙ্গেই গম্ভীরের সম্পর্ক দুর্দান্ত। অন্য়দিকে রমনের বায়োডেটা রীতিমতো ওজনদার। রমন ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে আইপিএল হয়ে ভারতীয় মহিলা দলের কোচিং করিয়েছেন।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্য়ম এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে লিখেছে, 'ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের উচিত রমন ও গম্ভীরের সার্ভিস নিশ্চিত করা। বিভিন্ন ভাবে তাঁদের ব্য়বহার করা যেতে পারে। ধরা যাক, গম্ভীরকে হেড কোচ করা হল। ব্যাটিং কোচ করে দেওয়া হল রমনকে। যাঁর লাল বলের ক্রিকেটে অনেক বেশি কিছু বলার থাকবে। রমন-গম্ভীরের থেকে প্রভূত উপকৃত হবে ভারতীয় ক্রিকেট। রমন কিন্তু সেই অনূর্ধ্ব-১৯ ও এ সিরিজ থেকে ভারতীয় দলের অনেক ক্রিকেটারকে চেনে। তাদের ভালো সামলাতে পারবেন। কারণ আগামী কয়েক বছরে ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট রূপান্তর হবে। টি-২০ বিশ্বকাপের পরেই তা শুরু হয়ে যাবে। ওডিআই ও বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে। টেস্টেও ১২-১৫ মাসে বিরাট রদবদল ঘটবে।'
জানা গিয়েছে গম্ভীর ও রমনের ইন্টারভিউয়ের এক রাউন্ড হয়েছে। যতীন পরাঞ্জপে, অশোক মালহোত্রা এবং সুলক্ষণা নায়েকের ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটির কঠিন প্রশ্নের মুখেই পড়তে হয়েছিল তাঁকে। এই দুই কোচ যখন ভারতীয় দল নিয়ে তাঁদের দর্শন তুলে ধরেছিলেন তখন যতীন-অশোক-সুলক্ষণারা রীতিমতো সেঁকে দিয়েছিলেন। কিছুদিনের মধ্য়েই গম্ভীর-রমন ফের দেবেন ইন্টারভিউ।
চলতি বছরের শেষের দিকে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। আগামী বছর রয়েছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের জন্য়ও লড়বে ভারত। তিন ফরম্য়াটে বিশ্বের অন্য়তম সেরা দলের কোচ হওয়া মোটেই সহজ নয়। প্রত্য়াশার চাপ থাকবে গগনচুন্বী। ২০২৭ সাল পর্যন্ত কোচের রাতের ঘুম উড়বে। ফলে অনেকে এই কঠিন চ্য়ালেঞ্জ নিতেও ভাবছেন বারবার। টি-২০ বিশ্বকাপ শেষ হলেই দ্রাবিড় ও তাঁর সাপোর্ট স্টাফদের মেয়াদ শেষ হবে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)