)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: কিলিয়ান এমবাপে (Kylian Mbappe), যাঁর আর কোনও পরিচয়ের দরকার নেই। বছর চব্বিশের বিশ্বকাপ জয়ী ফরাসি স্ট্রাইকার নিঃসন্দেহে লিওনেল মেসি (Lionel Messi) ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর (Cristiano Ronaldo) পর ফুটবল গ্রহের সবচেয়ে বড় তারকা। সারা বিশ্ব জানে যে, তেকাঠিতে বড্ড ভালো চেনেন ভক্তের 'নিনজা টার্টল'। গত রবিরার লিগ ওয়ানে (Ligue 1) পিএসজি মুখোমুখি হয়েছিল অকসের (PSG vs Auxuerre)। এই ম্য়াচে লিগ ওয়ান লিডার পিএসজি ২-১ গোলে হারিয়েছে অকসেকে। জোড়া গোলই এসেছে এমবাপের পা থেকে। স্টপেজ টাইমে অফসাইডের ফাঁদে না পড়লে এমবাপে হ্যাটট্রিক করেই মাঠ ছাড়তেন। ম্য়াচের প্রথমার্ধের ১০ মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল করে ফেলেন এমবাপে। ছয় এবং আট মিনিটে তাঁর পা থেকে এসেছে গোল। তবে ফরাসি অধিনায়ক প্রথম যে গোলটি করলেন, তা নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনও চলছে আলোচনা। প্রতিপক্ষের বক্সে মধ্যে মিসাইলের মতো ধেয়ে এলেন তিনি। পায়ের ভাঁজে ডিফেন্ডারদের মাটি ধরিয়ে, টপ কর্নার দিয়ে অসাধারণ গোল করলেন এমবাপে। চলতি লিগে এমবাপের ২৮ গোল করা হয়ে গেল।
গত মার্চে এমবাপে পিএসজি-র সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন।এই লিগ ওয়ানেই পিএসজি খেলতে নেমেছিল নানতেসের বিরুদ্ধে। ঘরের মাঠ পার্স দেস প্রিন্সেসে ৪-২ জয়ের রাতেই এমবাপে লিখেছিলেন ইতিহাস। ম্যাচের ৯২ মিনিটে এমবাপের পা থেকে এসেছিল গোল। আর পিএসজি-র হয়ে এটিই হয়ে যায় তাঁর ২০১তম গোল। ১৯৭০ সালে তৈরি হয় পিএসজি। ৫২ বছরের পুরনো ক্লাবে একমাত্র একজন ফুটবলারই গোলের ডাবল সেঞ্চুরি করতে পেরেছিলেন। তিনি এডিনসন কাভানি। উরুগুয়ের স্ট্রাইকারের ঝুলিতে ছিল কাঁটায় কাঁটায় ২০০ গোল। এমবাপে তাঁর গদি কেড়েই বসলেন সিংহাসনে। এমবাপে-কাভানির পর রয়েছেন জালাটন ইব্রাহিভোমিচ। ইব্রা করেছিলেন ১৫৬ গোল। এরপর চারে নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলের পোস্টারবয় করেছেন ১১৮ গোল। পাঁচে পর্তুগালের পেদ্রো মিগুয়েল পাউলেতা। তিনি পিএসজি-র জার্সিতে করেছিলেন ১০৯ গোল।