"আগে নিজে গাড়ি ছেড়ে ট্রেনে যাতায়াত করুন": কিশোরী পরিবেশকর্মী গ্রেটাকে সমর্থন করায় ট্রোলড রোহিত শর্মা

অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, রোহিত শর্মার নিজের বড় বড় অনেকগুলি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে। সেগুলি চলতে বিপুল পরিমাণ পেট্রোল-ডিজেল লাগে। যেখানে তিনি নিজে পরিবেশের বিষয়ে সচেতন নন, সেখানে টুইট করে কী লাভ?  

Updated By: Sep 25, 2019, 01:09 PM IST
"আগে নিজে গাড়ি ছেড়ে ট্রেনে যাতায়াত করুন": কিশোরী পরিবেশকর্মী গ্রেটাকে সমর্থন করায় ট্রোলড রোহিত শর্মা

নিজস্ব প্রতিবেদন : সুইডিশ কিশোরী পরিবেশকর্মী গ্রেটা থানবার্গকে সমর্থন করে নিজেই ট্রোলড হলেন রোহিত শর্মা। রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সম্মেলনে জ্বালাময়ী ভাষণে বিশ্বের নজর কেড়েছেন বছর ১৬-এর গ্রেটা। তাঁকে সমর্থন করতে গিয়েই নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়লেন রোহিত। 

Add Zee News as a Preferred Source

 

নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে রাষ্ট্রনেতাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করান গ্রেটা। উপস্থিত তাবড় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের দিকে রাগত স্বরে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, "আপনাদের সাহস কী করে হয়?"। আবেগঘন ভাষণে গ্রেটা বলেন, "গালভরা প্রতিশ্রুতিই সার। প্রকৃতি ধংস হয়ে যাচ্ছে আর আপনারা টাকার খেলায় মেতে আছেন।" গ্রেটা অভিযোগ করেন যে রাষ্ট্রনেতারা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য নতুন প্রজন্মকে ঠকাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম কোনওদিনও তাঁদের ক্ষমা করবে না। 

গ্রেটার এই জ্বালাময়ী ভাষণের ভিডিয়ো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। রোহিত শর্মা গ্রেটার ভাষণের ভিডিয়োটি টুইট করে লেখেন, "আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাঁধে পৃথিবীকে বাঁচানোর ভার ছেড়ে দেওয়াটা অন্যায়। গ্রেটা থানবার্গ, তোমাকে দেখে অনেকে অনুপ্রেরণা পাবে।" রোহিত আরও লেখেন, "আর কোনও অজুহাত চলবে না। ভবিষ্ত প্রজন্মকে একটি বাসযোগ্য পৃথিবী দেওয়া আমাদের কর্তব্য। এখনই আমাদের পরিবর্তন আনতে হবে।"

আরও পড়ুন: এমএসডি-র ভবিষ্যত্ নিয়ে আলোচনা ঠিক নয় : যুবরাজ সিং

রোহিতের এই টুইটের পরেই তাঁকে নিয়ে ওঠে সমালোচনার ঝড়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, রোহিত শর্মার নিজের বড় বড় অনেকগুলি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে। সেগুলি চলতে বিপুল পরিমাণ পেট্রোল-ডিজেল লাগে। তা ছাড়া সেলিব্রেটি ক্রিকেটার হিসাবে বিজনেস ক্লাসে বিমানে যাতায়াত করেন। যেখানে তিনি নিজে পরিবেশের বিষয়ে সচেতন নন, সেখানে টুইট করে কী লাভ? "আপনি নিজে তো বেশি ডিজেল লাগে এমন ধরনের দামি গাড়ি চড়েন। এর ফলে বিপুল পরিমাণে কার্বন এমিশন হয়। আপনার মুখে এ কথা মানায় না",রিপ্লাই করলেন একজন। শুধু তাই নয়, "বিএমডব্লু ছেড়ে ট্রেন-বাস ব্যবহার করুন। আগে নিজের মধ্যেই পরিবর্তনটা আনুন।"

 

"একটি টি-২০ ম্যাচে যে পরিমাণ বিদ্যুত্ খরচ হয়, তা ভারতে চারটি গৃহস্থালীর এক বছরের বিদ্যুত্-এর চাহিদার চেয়েও বেশি।" রাতে খেলা বন্ধ করা উচিত্ বলেও তোপ দেন অনেকে। 

.