Virat Kohli and Naveen-ul-Haq engages in social war: দাউদাউ করে জ্বলছে! মাঠের আগুন ছড়িয়ে পড়ল সোশ্যালে। বিরাট কোহলি ও নবীন-উল-হক সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধ ঘোষণা করে দিলেন। বিসিসিআই-কে জরিমানা দেওয়ার পরেও শান্ত হলেন না তাঁরা।

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: চলতি বছরের আইপিএল (IPL 2023) শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে বাইশ গজের যুদ্ধে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) ও নবীন উল হকের (Naveen-ul-Haq) ঝামেলা থামার নাম নিচ্ছে না। আফগানিস্তানের (Afghanistan) জোরে বোলার টিম ইন্ডিয়ার (Team India) মহাতারকার দিকে মারাত্মক অভিযোগ আনলেন। তাঁর দাবি, "সেই ম্যাচের সময় ঝামেলা বিরাটই শুরু করেছিল। খেলার শেষে ও বেশ জোরে আমার হাত চেপে ধরেছিল!"
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর (Royal Challengers Bangalore) বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টাস (Lucknow Super Giants) ম্যাচে বিরাট ও নবীনের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। এরপর বিরাট ও লখনউ-এর মেন্টর গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir) মধ্যে মাঠের ভিতরেই সংঘাত হয়। নবীন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টি-টোয়েন্টি খেলেন। সেই আফগান পেসার বলছেন, "ম্যাচের মধ্যে এবং শেষে ও যা বলেছিল, তা ওর বলা উচিত হয়নি। আমি কিন্তু লড়াই শুরু করিনি। খেলার শেষে আমরা যখন হাত মেলাচ্ছিলাম, তখন বিরাটই লড়াই শুরু করল!"
গত ১ মে আরসিবি (RCB) বনাম এলএসজি (LSG) ম্যাচের সময় বিরাট ও নবীনের (Virat Kohli VS Naveen-ul-Haq) মধ্যে অশান্তির সূত্রপাত হয়। মাঠের মধ্যেই তরুণ আফগান বোলারকে জুতো দেখানোর অভিযোগ ওঠে বিরাটের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়েই বচসায় জড়িয়ে পড়েন নবীন। সেই ঘটনার রেশ গড়ায় মাঠের বাইরেও। বিরাটের সঙ্গে কার্যত হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন লখনউয়ের মেন্টর গৌতম গম্ভীর।
সেই বিতর্কিত ঘটনার পর থেকেই একাধিকবার আরসিবি ও বিরাটকে লক্ষ্য একাধিক ইঙ্গিতবাহী পোস্ট করেছিলেন নবীন। আরসিবির হারের পর প্রায় উদযাপনের মুডে নানা মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তিনি। এরপর গুজরাৎ টাইটান্সের কাছে হেরে, আরসিবি-র আইপিএল অভিযান শেষ হতেই একটি মিম পোস্ট কছিলেন নবীন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হেসে একেবারে গড়িয়ে পড়ছেন এক ব্যক্তি!
সেই ঘটনার পর আইপিএল-এর 'কোড অফ কন্ড্যাক্ট'ভাঙার জন্য জরিমানা করা হয়েছিল। বিরাট, গম্ভীর এবং নবীনকে জরিমানা করা হয়। নবীন ফের যোগ করলেন, "জরিমানার দিকে তাকালেই বোঝা যাবে লড়াইটা শুরু করেছিল কে।" আফগান পেসার আরও বলেন, "একটা কথা বলতে পারি, আমি সাধারণত কাউকেই স্লেজিং করি না। তবে বোলিং করার সময়ে ব্যাটারকে স্লেজিং করি, কারণ আমি বোলার। ওই ম্যাচে আমি একটা শব্দও প্রয়োগ করিনি। একজনকেও স্লেজিং করিনি। প্লেয়াররা ওখানে ছিল, ওরা জানে আমি কীভাবে পরিস্থিতি সামলেছি। ব্যাট করার সময়ে বা ম্যাচের শেষে আমি কোনও সময়ের জন্যই মেজাজ হারাইনি। ম্যাচের শেষে আমি যা করেছিলাম, তা সবাই দেখেছে। আমি হাত মেলাচ্ছিলাম। বিরাটই তো আমার হাত ধরে বলপূর্বক হাত ঝাঁকিয়েছিল। আমি মানুষ। আমিও প্রতিক্রিয়া দেখাই।"
বেশ বোঝা যাচ্ছে, আইপিএল শেষ হয়ে গেলেও বিরাটের সেই ব্যবহার নবীন এখনও ভুলতে পারেননি। এখন এই বিতর্কের জল আরও কতদূর গড়ায় সেটাই দেখার।