জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সন্দেশখালিকাণ্ডে ভাইরাল ভিডিয়ো। 'মহিলাদের ইজ্জত ২ হাজার টাকার বিনিময়ে দিল্লির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে', কৃষ্ণনগরে ভোট-প্রচারে গিয়ে এবার বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৩ মে চতুর্থ দফায় ভোট কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে। গতবার এই কেন্দ্র থেকে যিনি জিতেছিলেন, ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে তৃণমূলের সেই মহুয়া মৈত্রের সাংসদপদ খারিজ হয়ে গিয়েছিল। এবারও ফের তাঁকেই প্রার্থী করেছেন ঘাসফুল শিবির। এদিন মহুয়ার সমর্থনে কালীগঞ্জে নির্বাচনী সভা করেন অভিষেক।
অভিষেক বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন, সভা করেছেন। আবার ২ দিন আগে এই কৃষ্ণনগর লোকসভায় দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা মোদীজি আবার সভা করেছেন। তিনি কোনওভাবে চান না,যাতে মহুয়া মৈত্র জেতেন। আপনারা ৫ বছর সংসদের মহুয়া মৈত্রের পারফরম্যান্স দেখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত সৈনিক। দিল্লির তাঁবেদার, স্বৈরাচারী, অত্যাচারী, এবং দুবৃত্তদের কাছে, বাংলা বিরোধীদের কাছে আমাদের সৈনিকের মাথা নত করেনি। মোদী সরকারের চেহারাটা, মুখোশটা খুলে দিয়ে তাদের নগ্নরূপ প্রকাশ্য়ে এনেছেন, এদের গায়ে জ্বালা ধরেছে। তাই যে করে হোক, তৃণমূলের প্রার্থীকে জিততে দেওয়া যাবে না'।
অভিষেকের কথায়, 'আজকে ভারতবর্ষ জুড়ে যত রাজনৈতিক দল আছে। সবাইকে ইডি-সিবিআই লাগিয়ে চমকে-ধমকে বাড়িতে ঢুকিয়ে রেখে দিয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে কত ইডি-সিবিআই লাগিয়ে রেখেছে, ৫ বছর ধরে আমাকে ক'বার ডেকেছে! এমনকী আমার বয়ষ্ক বাবা-মাকেও ছাড়েনি। আর যাঁদেরকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে, তাঁরা এখন বিজেপি সাংসদ, বিজেপির বড় বড় নেতা। এই দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে আমাদের জবাব দিতে হবে'।
বাদ যায়নি সন্দেশখালি প্রসঙ্গও। অভিষেক বলেন, 'সন্দেশখালি নিয়ে অনেক গলা ফাটিয়েছিলেন। কালকে সন্দেশখালি দেখেছেন তো, প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, বাংলার মানুষকে কলুষিত করতে গিয়ে, তৃণমূলকে ছোট করেনি, বাংলার মানুষকে ছোট করেছে। মহিলাদের ২ হাজার টাকা দিয়ে বিজেপির নেতারা, তাঁদের সম্ভ্রম, তাঁদের ইজ্জত ২ হাজার টাকার বিনিময়ে বিজেপি নেতারা বিক্রি করে দিয়েছে দিল্লির কাছে'। ২ হাজার টাকা নাও, আর মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ কর। আমি বলছি না, বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লক গঙ্গাধর কয়াল বলছে'।
ঘটনাটি ঠিক কী? সন্দেশখালির বিজেপির মন্ডল সভাপতির ভিডিয়ো ভাইরাল। যদিও ভাইরাল ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি জি ২৪ ঘণ্টা। তবে ভিডিয়োতে বিজেপি মণ্ডলকে সভাপতি বলতে শোনা যাচ্ছে,'রাজনীতির জন্য মিথ্যে ষড়যন্ত্রের ছক কষা হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার না করতে পারলে আন্দোলন করা যাবে না। শুভেন্দুদা বলেছিল, গ্রেফতার না করাতে পারলে ভোট করানো যাবে না'।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
By accepting cookies, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and assist in our marketing efforts.