পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায় ঘিরে দ্বিধাবিভক্ত গেরুয়া শিবির

অন্যদিকে, হাইকোর্ট চত্বরের বাইরে দাঁড়িয়েই হাইকোর্টের রায়কে ঘিরে উষ্মা প্রকাশ করলেন মামলাকারী বিজেপি নেতা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘আদালত আজ যে রায় দিল, তাতে আমরা খুশি নই। বরং ভোটের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা শঙ্কিত।’’ 

Updated By: May 10, 2018, 05:36 PM IST
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায় ঘিরে দ্বিধাবিভক্ত গেরুয়া শিবির

নিজস্ব প্রতিবেদন:   পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায়কে ঘিরে দ্বিধাবিভক্ত গেরুয়া শিবির। ভিন্ন মত শোনা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও মামলা বিজেপি নেতা প্রতাব বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতে।

হাইকোর্টের রায়ের পর দিলীপ ঘোষ প্রকাশ্যে বলেন, ‘‘ পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায়ে আমরা খুশি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ ১৪ তারিখ ভোট হবে, এটা ধরে নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। তবে যেদিনই ভোট হোক না কেন, আমরা লড়ব, আমরা জিতবও।’’

আরও পড়ুন: ১৪ মে-তেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে আর কোনও বাধা রইল না

অন্যদিকে, হাইকোর্ট চত্বরের বাইরে দাঁড়িয়েই হাইকোর্টের রায়কে ঘিরে উষ্মা প্রকাশ করলেন মামলাকারী বিজেপি নেতা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘আদালত আজ যে রায় দিল, তাতে আমরা খুশি নই। বরং ভোটের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা শঙ্কিত।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ আদালত কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে ভোটে হিংসা হবে। আদালত বলেছে, ২০১২ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার বেশি হিংসা হলে, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এক্ষেত্রে আদালতের কাছেই আমার প্রশ্ন, কোন বছর বেশি হিংসা হল, তা কে নির্ধারণ করবে?’’

হাইকোর্টের রায়ে অখুশি বামেরাও। বিমান বসু বলেন, ‘‘এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন রক্তাক্ত হবে।’’

অন্যদিকে,  ই-মনোনয়নের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, যে ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়ী হয়েছে শাসক দল, সেইসব প্রার্থীদেরও জয়ী বলে ঘোষণা করতে ও জয়ের শংসাপত্র দিতে নিষেধ করা হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে।

আরও পড়ুন: ই-মনোনয়নে সুপ্রিম স্থগিতাদেশ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ীদের শংসাপত্র দিতে নিষেধ কমিশনকে

এদিন শীর্ষ আদালতে শুনানির সময়ে বিজেপি-র আইনজীবী জানান, রাজ্যের ৩৪শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন শাসক দলের প্রার্থীরা। ফলে, বিষয়টি শীর্ষ আদালতের বিবেচনা করা উচিত। বিজেপির এই সওয়াল শুনেই এরপর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ীদের শংসাপত্র দিতে নিষেধ করা হয় আদালতের পক্ষে।