অতিবৃষ্টিতে ধুয়ে যাচ্ছে বিঘের পর বিঘে জমি, ধানক্ষেত থেকে চা-বাগান জলের তলায় সর্বস্ব

যা বর্তমানে আস্ত একটা নদী হয়ে গিয়েছে। আর নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বিঘের পর বিঘে ধানক্ষেত, আনারস বাগান, চা বাগান থেকে শুরু করে এলাকার রাস্তাও। 

Updated By: Sep 25, 2020, 04:31 PM IST
অতিবৃষ্টিতে ধুয়ে যাচ্ছে বিঘের পর বিঘে জমি, ধানক্ষেত থেকে চা-বাগান জলের তলায় সর্বস্ব

নিজস্ব প্রতিবেদন: নদী ভাঙ্গন নয়, অতিবৃষ্টির জলে বিঘের পর বিঘে চাষের জমি ভেঙ্গে কার্যত পরিণত হয়েছে নদীতে। ছবিটা চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালী গ্রাম পঞ্চায়েতের হাঁসখালি এলাকায়। আর এতেই মাথায় হাত স্থানীয় প্রশাসনের। উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া ব্লক। বিগত ১৫-১৬ দিন ধরে হয়েই চলেছে বৃষ্টি। মঙ্গলবার বিকেল থেকে শুরু হয়েছে অতিবৃষ্টি।

এতদিন পর্যন্ত জমা জল চাষের জমির মধ্যে দিয়ে ছোট্ট নালা দিয়ে বেরিয়ে চলে যেত স্থানীয় ডক নদীতে। গত ৬-৭ দিন আগে এই নালার একটা অংশে বড় ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়। সেই ভাঙ্গন গত মঙ্গলবার থেকে ভয়ঙ্কর রূপ নেয়, যা বর্তমানে আস্ত একটা নদী হয়ে গিয়েছে। আর নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বিঘের পর বিঘে ধানক্ষেত, আনারস বাগান, চা বাগান থেকে শুরু করে এলাকার রাস্তাও। 

আরও পড়ুন:  একবালপুরে রক্তারক্তি কাণ্ড! মা ও দুই মেয়েকে খুনের চেষ্টার পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণঁ খুনির

হাঁসখালি এলাকা লাগোয়া ঈঁদগাও নতুন এই চাষের জমি ভেঙে তৈরি হওয়া নদীর গর্ভে যাওয়ার উপক্রম বলে জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। মাঝিয়ালী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জানিয়েছেন, এই অবস্থার কথা জানতে পেরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন। কিন্তু সেই সামান্য ভাঙ্গন এমন রূপ নেবে তা ভাবতেই পারেননি, জানানো হয়েছে উপরমহলেও।" 

তিনি আরও জানিয়েছেন, যে সমস্ত সাধারণ মানুষের চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই নদী সৃষ্টির ক্ষেত্রে, তাদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার আবেদনের পাশাপাশি চাষের জমি রক্ষার আবেদনও করেছেন চোপড়া ব্লকের বিডিও এর কাছে। 

চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মহম্মদ আজহারউদ্দিন জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতির কথা তিনি শুনেছেন ইতিমধ্যেই ব্লকের টেকনিক্যাল টিমকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে পরিস্থিতির কথাও জানানো হয়েছে। দ্রুত যাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায় তার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলেও আশ্বাসও দিয়েছেন সভাপতি