নিজস্ব প্রতিবেদন : শুক্রবার সকালে চোপড়ায় গুলি চলার ঘটনায় রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। এদিন সকালে চোপড়ায় গুলিবিদ্ধ হয় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র। তারপরই জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কমিশনের। কী ঘটেছে? সেই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING


ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস অব্যাহত চোপড়ায়। শুক্রবার সকালে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় চোপড়ার মকদুমি এলাকায়। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র। গুলিবিদ্ধ ছাত্রের নাম মহম্মদ আবদুল। অভিযোগ, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা এলাকায় এসে প্রথমে হামলা চালায়। তারপর পাল্টা প্রতিরোধ করে তৃণমূলও। এরপরই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। এলোপাথাড়ি গুলি চলে। বোমাবাজিও হয়।


আরও পড়ুন, টাকা ফেরতের নামে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে খুন কিশোরকে  


জানা গিয়েছে, সেসময়ই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল সপ্তম শ্রেনির ছাত্র মহম্মদ আবদুল। গোলাগুলির মাঝে পড়ে যায় সে। গুলি লাগে আবদুলের বাঁ পায়ে। গুলিতে এফোঁড় ওফোঁড় হয়ে যায় আবদুলের পা। আহত অবস্থায় আবদুলকে সঙ্গে সঙ্গেই দলুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।


আরও পড়ুন, নদিয়ার নোডাল অফিসার অন্তর্ধান রহস্যে জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের


গুলি চলার ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে। তাদের দাবি, তারা প্রতিরোধ করতেই গুলি চালায় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাল্টা গুলি চালনার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।