ভারত একতরফা সিদ্ধান্ত নিলে তার ফল ভাল হবে না, হুশিয়ারি চিনা বিদেশমন্ত্রকের

অবশ্য শুরু থেকে ঘটনার যাবতীয় দায় ভারতের উপরেই চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টায় চিন। 

Updated By: Jun 17, 2020, 02:08 PM IST
ভারত একতরফা সিদ্ধান্ত নিলে তার ফল ভাল হবে না, হুশিয়ারি চিনা বিদেশমন্ত্রকের

নিজস্ব প্রতিবেদন : উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টার মধ্যেই হঠাত্ সংঘর্ষ। লাদাখে গালোয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনার সংঘর্ষ ঘিরে এখন সপ্তমে অশান্তির পারদ। এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আবারও হুঁশিয়ারি দিল বেজিং। 

চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়ান এদিন বলেন, "ভারতীয় বাহিনী যেন সীমান্ত পেরনো বা এক তরফা পদক্ষেপের মতো কিছু না করে, তার ফলে আরও জটিল হতে পারে সীমান্ত পরিস্থিতি।" তাঁর মতে দুই দেশই শান্তিরক্ষার জন্য উত্তেজনা প্রশমন করতে আলোচনা চালাচ্ছিল। শান্তি বিঘ্নিত করে সংঘর্ষের দায় কার্যত ভারতের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় চিনের বিদেশমন্ত্রক। 

অবশ্য শুরু থেকে ঘটনার যাবতীয় দায় ভারতের উপরেই চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টায় চিন। মঙ্গলবার সংঘর্ষের পর চিনের বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানায়, "ভারতীয় বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে চিনা বাহিনীর উপর অতর্কিতে হামলা চালিয়েছিল।" সেই হামলার পাল্টা উত্তর দিতেই চিন আক্রমণ করে, দাবি বেজিংয়ের। সেই সঙ্গে বেজিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় না গিয়ে নয়াদিল্লি যেন কোনও নতুন পদক্ষেপ না করে, সে বিষয়েও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। 

অন্যদিকে, লাদাখে গালোয়ান উপত্যকায় চিন-ভারত সংঘর্ষ নিয়ে গতকাল রাত্রে আলোচনায় বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চার হেভিওয়েট মন্ত্রী। ক্যাবিনেট মিটিংয়ে ছিলেন ভারতীয় সেনার চিফ জেনারেল এমএম নারাভানে। বুধবার নিয়ন্ত্রণরেখায় চিনের আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তা মোকাবিলা করতে সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে কেন্দ্র। 

শান্তি বজায় রাখার সম্পূর্ণ প্রচেষ্টা করা হলেও সীমান্তে ভারতের এলাকায় চিনের কোনওরকম প্রবেশ ও আগ্রাসন মেনে নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ভারত। 

ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার রাত ১০ টা নাগাদ ৪ ক্যাবিনেট মন্ত্রীকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লাদাখে সীমান্তে চিনের সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতীয় সেনার মৃত্যুর পর বর্তমানে সীমান্তের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তাঁরা। 

আরও পড়ুন : সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিল কেন্দ্র, চিনের আগ্রাসন মেনে নেওয়া হবে না কোনওভাবেই