পড়ুয়াদের আন্দোলনকে সম্মান জানানোর বার্তা রাষ্ট্রসংঘের

পড়ুয়াদের এই বিক্ষোভকে তছনছ করতে পুলিসের লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে। এমনকি বাইরের থেকে দুষ্কৃতী আনিয়ে তাদের উপর হামলা চালায় বলে দাবি করে আন্দোলনকারীরা

Updated: Aug 7, 2018, 04:00 PM IST
পড়ুয়াদের আন্দোলনকে সম্মান জানানোর বার্তা রাষ্ট্রসংঘের
ছবি- ফেসবুক

নিজস্ব প্রতিবেদন: ছাত্র বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশে যে  অশান্তি এবং হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সমালোচনা করল রাষ্ট্রসংঘ। এক বিবৃতিতে রাষ্ট্রসংঘ জানিয়েছে, পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সম্মান জানানো উচিত। তাদের দাবি আইনসম্মত। কিন্তু পড়ুয়া এবং সাংবাদিকদের উপর যে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে, তা দুর্ভাগ্যজনক বলে জানায় রাষ্ট্রসংঘ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য  সব পক্ষকেই শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার বার্তা দিয়েছে এই আন্তর্জাতিক সংস্থা।

আরও পড়ুন- পার্কিং লটে ঢুকে পড়ল বিমান, মৃত কমপক্ষে ৫

বাংলাদেশে লাগামহীন যান চলাচলের প্রতিবাদে গত প্রায় ১ সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে স্কুল পড়ুয়ারা। সুশৃঙ্খলভাবে যান চলাচল,  গাড়ির চালকের বৈধ কাগজপত্র থাকার মতো একাধিক ইস্যুর সমাধানের দাবি জানায় তারা। উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয় দুই স্কুল পডুয়ার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভের দানা বাঁধতে থাকে ঢাকায়। ট্রাফিক পুলিসের তোয়াক্কা না করেই স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের দেখা গিয়েছে রাস্তায় নেমে যান নিয়ন্ত্রণ করতে। এমনকি, পুলিসের গাড়ি থামিয়ে লাইসেন্স চাওয়ার মতো স্পর্ধাও দেখিয়েছে এই খুদেরা। অভিযোগ উঠেছে, খোদ সরকারি আমলারার একাংশ গাড়ি চালাচ্ছেন লাইসেন্স ছাড়াই।

আরও পড়ুন- লিটল বয় – ফ্যাট ম্যানের মানব নিধনের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ইয়ামাগুচি

পড়ুয়াদের এই বিক্ষোভকে তছনছ করতে পুলিসের লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে। এমনকি বাইরের থেকে দুষ্কৃতী আনিয়ে তাদের উপর হামলা চালায় বলে দাবি করে আন্দোলনকারীরা। উল্লেখ্য, এই ঘটনার সমালোচনা করে গ্রেফতার হয়েছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শাহিদুল আলম।

আরও পড়ুন- লাদেনের বৌমা ৯/১১- হামলাকারীর মেয়ে!

টানা বিক্ষোভের পর পড়ুয়াদের দাবি মেনে নিয়েছে হাসিনা সরকার। আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যান নিয়ন্ত্রণে কড়া আইন তৈরি করা হবে। বাংলাদেশ সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। রাষ্ট্র সংঘের তরফে জানানো হয়, পড়ুয়াদের আন্দোলনের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ সরকার তত্পরতার সঙ্গে যে পদক্ষেপ করেছে, তার জন্য অভিনন্দন। তবে, দ্রুত শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার আর্জি জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।