পশ্চিম মেদিনীপুর: পুলিস সুপার ও অঞ্চল সভাপতির দাপটে ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মের আশ্রয়ে গ্রামবাসীরা

তৃণমূল ছেড়ে বাধ্য হয়েই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ। তাঁর কারণ পশ্চিম মেদিনীপুরের গোপীবল্লভপুরে বেলিয়াবেড়া এলাকায় পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিস সুপার ভারতী ঘোষ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি স্বপন পাত্রের  বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ আনল গ্রামবাসীরা।  উভয়ের অত্যাচারের ফলে তৃণমূল ছেড়ে বাধ্য হয়ে বিজেপিতে আশ্রয় নিয়েছে গোটা গ্রামটাই। ঘটনার সূত্রপাত্র পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকেই।

Updated By: Nov 13, 2014, 09:44 AM IST
পশ্চিম মেদিনীপুর: পুলিস সুপার ও অঞ্চল সভাপতির দাপটে ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মের আশ্রয়ে গ্রামবাসীরা

ব্যুরো: তৃণমূল ছেড়ে বাধ্য হয়েই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ। তাঁর কারণ পশ্চিম মেদিনীপুরের গোপীবল্লভপুরে বেলিয়াবেড়া এলাকায় পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিস সুপার ভারতী ঘোষ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি স্বপন পাত্রের  বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ আনল গ্রামবাসীরা।  উভয়ের অত্যাচারের ফলে তৃণমূল ছেড়ে বাধ্য হয়ে বিজেপিতে আশ্রয় নিয়েছে গোটা গ্রামটাই। ঘটনার সূত্রপাত্র পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকেই।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই পুর এলাকায় ছিল তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। সরকারিস্তরে উন্নয়নের জন্য অর্থও মঞ্জুর করা হয় এলাকার জন্য। কিন্তু তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব সেই কাজ না করে অর্থ তছরূপে বেশি মনোযোগী হওয়ায় প্রতিবাদ করেন এলাকাবাসী। তাঁরা পুলিসের কাছে অভিযোগ জানালে উল্টে তাদেরকেই মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের বক্তব্য পশ্চিম মেদিনীপুর তথা ঝাড়গ্রামের পুলিস সুপার ভারতী ঘোষ তাঁর প্রভাব ও পুলিস প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে এলাকার গরু, কেন্দু পাতা, কয়লা, আলুসহ একাধিক পণ্যবাহী ট্রাক এবং টাকা আদায় করেন। তাঁর এই সমস্ত কাজে সহায়তা করে স্থানীয় ওই তৃণমূল নেতা। সেই কারণেই এসপি এবং ওই নেতৃত্বের সহাবস্থান রয়েছে।

গত কয়েকদিন আগে এই এলাকায় একটি সমবায়কে ঘিরে ঝামেলায় দুই দলের সংঘর্ষে আহত হন কয়েকজন। গ্রামাবাসীদের অভিযোগ এরপরই এলাকায় পিকেট বসিয়ে  
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁদের বাড়িতে দিনরাত যখন তখন তল্লাসি চালাচ্ছে পুলিস। আতঙ্কে বহু শিশু স্কুলও ছেড়ে দিয়েছে। ঘরছাড়া বেশকিছু বাড়ির পুরুষরাও। গ্রামবাসীদের আরও দাবি পশ্চিমমেদিনীপুরের প্রায় সর্বত্রই এই এসপি শুধুমাত্র টাকা তোলার কাজই করে চলেছে। যদিও পুলিস সুপার ভারতী ঘোষ জানিয়েছেন এটা সংবাদ মাধ্যমের চক্রান্ত। এরকম কোনও অভিযোগ তাঁর কাছে আসেনি। যদিও গ্রামবাসীরা সমস্ত অভিযোগটাই লিখিতভাবে ঝাড়গ্রামের মহকুমাশাসকের কাছে জমা দেন।