একবালপুর হত্যা রহস্য: গদ্দারি করেছিল পুষ্পা, তাই খুন, স্বীকারোক্তি মূল অভিযুক্তের

গদ্দারি করেছিল পুষ্পা। সেজন্য ঠান্ডা মাথায় খুনের পরিকল্পনা করেছিল সে। জেরায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি একবালপুর হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সিকান্দরের। ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও সিকান্দরের বক্তব্যের প্রমাণ মিলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের ফলেই জ্ঞান হারিয়েছিলেন আরাধনা ও প্রদীপ্তি সিং। মৃত্যু নিশ্চিত করতে পরে শ্বাসরোধ করা হয়।

Updated: Apr 14, 2014, 07:07 PM IST

গদ্দারি করেছিল পুষ্পা। সেজন্য ঠান্ডা মাথায় খুনের পরিকল্পনা করেছিল সে। জেরায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি একবালপুর হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সিকান্দরের। ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও সিকান্দরের বক্তব্যের প্রমাণ মিলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের ফলেই জ্ঞান হারিয়েছিলেন আরাধনা ও প্রদীপ্তি সিং। মৃত্যু নিশ্চিত করতে পরে শ্বাসরোধ করা হয়।

একবালপুরের ফ্ল্যাটের স্বত্ব বিক্রি নিয়ে মতবিরোধের জেরেই খুন হতে হয়েছে পুষ্পা সিং ও তার দুই মেয়েকে। রাতভর জেরায় স্বীকার করে নিল হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সিকান্দর। জেরায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর আরও বেশকিছু তথ্য। সিকান্দরের দাবি একবালপুরের যে ফ্ল্যাটে পুষ্পা সিং থাকতেন তার আসল মালিক দুলারি ছয় বছর আগে মাসিক ৮০৪ টাকায় ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেন সিকন্দর ৪ বছর পর সিকান্দর ফ্ল্যাট ভাড়ার স্বত্ব ১৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে পুষ্পার কাছে। এর পরেই দুজনের মধ্যে সমস্যা শুরু। সিকন্দরের দাবি স্বত্ব ফেরত চাইলে পুষ্পা ২৭ লক্ষ টাকা দাবি করেন ৭লক্ষ টাকাও দিয়ে দেন সিকন্দর। অভিযোগ তার পরেও ফ্ল্যাট ছাড়তে চাননি পুষ্পা, ফেরত দেননি টাকাও এরপরই দুজনের মধ্যে বিরোধ চরমে ওঠে।

সাতদিন আগেই খুনের ছক সাজিয়েছিল সিকন্দর। জেরায় তাঁর দাবি খুনের অস্ত্র হাতুড়িটি গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হয়। মৃতদেহ পাচারের ট্রাঙ্ক ফেলে দেওয়া হয় ভ্যাটে। যে দোকানঘরে দেহগুলি পোঁতা হয়েছিল সেখানে আলি বলে এক যুবক চায়ের দোকান চালাতেন। খুনের সাত দিন আগে আলিকেও দোকান থেকে সরিয়ে দেয় সে। পুলিস বিস্তারিত জানতে আলিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়েছে কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দা বিভাগ।