রাজ্যের জমিনীতির সমালোচনায় রাজ্যপাল

Update: December 6, 2012 20:14 IST

রাজ্যের শিল্পে বিনিয়োগ টানার ক্ষেত্রে জমি যে একটা সমস্যা তা মেনে নিলেন রাজ্যপাল। শিল্পের জন্য জমি নিতে হবে বিনিয়োগকারীদেরই। রাজ্য সরকারের এই ঘোষণায় বিনিয়োগে উত্সাহ হারাচ্ছে শিল্পমহল। আজ কলকাতার একটি অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল স্বীকার করে নেন,  রাজ্যে শিল্পের জন্য জমি একটা সমস্যা। তবে সেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিল্পের জন্য  জোর করে জমি অধিগ্রহণ করবে না রাজ্য সরকার। জমির ব্যবস্থা করতে হবে শিল্পপতিদেরই। দুবরাজপুরের লোবা গ্রামের জনসভায় ফের রাজ্য সরকারের জমিনীতি স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।  কিন্তু সরকারের জনদরদী ভাবমূর্তি রক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী যাই বলুন, জমির সমস্যা না মিটলে এরাজ্যে যে বড় কোনও বিনিয়োগ আসবে না, নানা ভাবে তা স্পষ্ট করেছে শিল্পমহল।  শিল্পে বিনিয়োগের জন্য এরাজ্যে জমি যে একটা বড়  সমস্যা এবার   তা মেনে নিলেল রাজ্যপালও।

জমি জটের গেরো তো আছেই। সম্প্রতি বিচার ব্যবস্থা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও কৃষি প্রতিমন্ত্রী বিতর্কিত মন্তব্যেও বিড়ম্বনায় রাজ্য সরকার। বিধানসভার এক অনুষ্ঠানে বিচার ব্যবস্থা ও বিচারপতিদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আদালত অবমাননার মামলা শুনানি শুক্রবার।  সিঙ্গুরের জমি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কৃষি প্রতিমন্ত্রী বেচারাম মান্নার বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা  করেছে হাইকোর্ট। বেচারাম মান্নার মন্তব্যের জেরে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে রাজ্য সরকার। এনিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান রাজ্যপাল।

Post Your Comment

Total Comments:3

MANONIO RAJYOPALER AI MONTOBYER JONYO KOBE DIDIMONI TOP DAGBEN TA SONER JONYO OPEKHAI ROHILAM.

The land policy of Trinomul Congress does not have any feasibility. Its only objective is to collect farmers` sympathy during prior election.Now In spite of having acute demand of land for further infrastructural development, she fails to acquire required land. None but Trinomul Congress is responsible for this situation.

The land policy of Trinomul Congress does not have any feasibility. Its only objective is to collect farmers` sympathy during prior election.Now In spite of having acute demand of land for further infrastructural development, she fails to acquire required land. None but Trinomul Congress is responsible for this situation.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।