রাজ্য জুড়ে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচী শুরু

Update: July 16, 2012 19:56 IST

মূল্যবৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সোমবার রাজ্যজুড়ে আইন অমান্য কর্মসূচি পালন করছে বামেরা। মানুষের সুবিধার কথা ভেবে বর্ধমানে বিকেলে আইন অমান্যর ডাক দেয় জেলা বাম নেতৃত্ব। বিকেল ৩ টে নাগাদ বর্ধমান স্টেশন থেকে বিজয়তোরণ পর্যন্ত বিশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়। জেলা বামফ্রন্টের সর্বস্তরের নেতানেত্রীদের সঙ্গে মিছিলে পা মেলান প্রায় ৩০ হাজার সাধারণ মানুষ।  পুলিসের ব্যারিকেড ভেঙে জেলাশাসকের দফতরের দিকে যাওয়ার সময়ে পুলিস বাম নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে। পরে তাঁদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। 

দুদিনের রাজ্য কমিটির বৈঠকে আইন অমান্য কর্মসূচী গ্রহণ করেছে বামেরা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক খুন এবং সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটছে। বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। বামকর্মী সমর্থকদের পাশাপাশি আক্রমণের শিকার হচ্ছেন কংগ্রেস কর্মীরাও। নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন সাধারণ মানুষ। বেড়ে চলেছে ধর্ষণ এবং মহিলা নিগ্রহের ঘটনা। এই অভিযোগেই আইন অমান্যের ডাক দিয়েছে সিপিআইএম নেতৃত্ব।

১৭ জুলাই কলকাতা ও শিলিগুড়িতে আইন অমান্য কর্মসূচি পালিত হবে। ৩০ জুলাই ও ৩১ জুলাই খাদ্য নিরাপত্তার দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ করবে বামেরা। অগাস্ট মাস জুড়ে খাদ্য নিরাপত্তার দাবিতে প্রচার আন্দোলন হবে। ১ সেপ্টেম্বর সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী দিবসে কলকাতা ও শিলিগুড়িতে হবে মহামিছিল। আন্দোলনের দিশানির্দেশিকা তৈরির পাশাপাশি সিপিআইএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় করার ওপর জোর দিয়েছেন রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু।
      





Post Your Comment

Total Comments:2

বর্ধমান জেলা বামফ্রন্টের ডাকে আইন অমান্য কর্মসূচী: https://www.facebook.com/media/set/?set=a.365758363490753.80324.100001697765217&type=1

lal selam for all comred..amra pasha achi ,chilam thakbo....lal potaka urcha urba..inclub jindaba..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।