সারদা তদন্তে নতুন তথ্য- মাধ্যম হিসেবে কাজ করতেন তৃণমূলের এক সাংসদ

সারদাকাণ্ডে নয়া মোড়। ইডির তদন্তে পাওয়া গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য। হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা যেত ভিনরাজ্যের সংস্থাগুলিতে। সেই টাকাই ঋণ হিসেবে ফেরত আসত রাজ্যে। ভিনরাজ্যের সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করতেন তৃণমূলেরই এক সাংসদ।

Updated: Apr 27, 2014, 06:50 PM IST

সারদাকাণ্ডে নয়া মোড়। ইডির তদন্তে পাওয়া গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য। হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা যেত ভিনরাজ্যের সংস্থাগুলিতে। সেই টাকাই ঋণ হিসেবে ফেরত আসত রাজ্যে। ভিনরাজ্যের সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করতেন তৃণমূলেরই এক সাংসদ।

এদিকে, সল্টলেকে সারদার মিডল্যান্ড পার্কের অফিসে বকেয়া করের নোটিস ঝোলাল আয়কর দফতর। সারদার মালিকনাধীন সংস্থা গ্লোবাল অটো মোবাইলসের প্রায় চার কোটি টাকা আয়কর বকেয়া। দুহাজার দশ সালের নভেম্বরে জেনাইটিস গ্রুপের মালিকানাধীন সংস্থা গ্লোবাল অটো মোবাইলস কিন নেন সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেন। চুক্তি ছিল মালিকানার নেওয়ার পাশাপাশি ওই সংস্থার সম্পত্তির সবরকম দায়ও মেটাতে হবে সারদা কর্তাকেই।

২০০৮-০৯ সালে সংস্থাটির বকেয়া আয়করের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা। বর্তমানে এই অনাদায়ী বকেয়া করের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে চার কোটির কাছাকাছি। বকেয়া কর মেটাননি সুদীপ্ত সেন। ২০০৮-০৯ এবং ২০০৯-১০ অর্থবর্ষে আয়কর না মেটানোর জন্য সারাদার অফিসে মোট ছটি নোটিস ঝুলিয়েছে আয়কর বিভাগ।

এদিকে, সারদাকাণ্ডে নয়া মোড়। ইডির তদন্তে মিলল নয়া সূত্র। হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা যেত ভিনরাজ্যের সংস্থাগুলিতে। সেই টাকাই ঋণ হিসেবে ফেরত আসত রাজ্যে। ভিনরাজ্যের সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করতেন তৃণমূলেরই এক সাংসদ।