ধর্মঘট রুখতে সক্রিয় সরকার থেকে পুলিস

ধর্মঘটের দিনে বেসরকারি বাসের ক্ষতি হলে বিমার টাকা পাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেবে রাজ্য সরকার। আজ বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে এই আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র। তাঁর দাবি, এই আশ্বাসের পর বেসরকারি বাস মালিকেরা বাস চালাতে রাজি হয়েছেন। ধর্মঘটের দিন সরকারি পরিবহণ কর্মীরা কাজে না এলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Updated: Feb 19, 2013, 04:01 PM IST

ধর্মঘটের দিনে বেসরকারি বাসের ক্ষতি হলে বিমার টাকা পাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেবে রাজ্য সরকার। আজ বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে এই আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র। তাঁর দাবি, এই আশ্বাসের পর বেসরকারি বাস মালিকেরা বাস চালাতে রাজি হয়েছেন। ধর্মঘটের দিন সরকারি পরিবহণ কর্মীরা কাজে না এলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বাসের চালক এবং কন্ডাক্টরেরা কাজে এলে ধর্মঘটের দিন বেসরকারি বাস চলবে। পরিবহণ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর একথা জানানো হয় বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেটের পক্ষে।  ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা জানিয়েছেন, সরকার বিমার টাকা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় ধর্মঘটের দিন ট্যাক্সি চালাবেন তাঁরা। একই আশ্বাস লাক্সারি ট্যাক্সি চালকদেরও।
কুড়ি এবং একুশে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘটের দিন যাঁরা দোকানপাট খুলবেন না তাঁদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবে রাজ্য সরকার। প্রয়োজনে বাতিল করা হতে পারে ট্রেড লাইসেন্স। মহাকরণে টাস্ক ফোর্সের বৈঠকের পর আজ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন মুখ্যসচিবসহ আরও অনেকে। ধর্মঘটের দিন দোকানপাট খোলা রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের কাছে আর্জি জানাল ব্যবসায়ীদের সংগঠনও। আজ  মহাকরণে টাস্ক ফোর্সের বৈঠকের পর সংগঠনের পক্ষে এ কথা জানান রবীন্দ্রনাথ কোলে।
ধর্মঘটের বিরোধিতায় পথে নামতে পিছ পা হয়নি পুলিসও। আজ পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গায় মাইকিং করে ধর্মঘটে সাধারণ মানুষকে সামিল না হওয়ার আর্জি জানায় পুলিস। ধর্মঘটে যোগ না দিয়ে রাজ্যকে সচল রাখারও আবেদন জানানো হয়।
রাজ্যে ১৪৪ একশো চুয়াল্লিশ ধারা জারি হয়নি যে মানুষ ধর্মঘট করতে পারবেন না। কেন্দ্রীয় নীতির বিরোধিতায় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা কুড়ি ও একুশ তারিখের ধর্মঘট সফল হবেই।  আজ এমনটাই দাবি করলেন সিপিআইএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তী। তাঁর মতে, রাজ্য সরকার চাপ দিয়ে এই ধর্মঘট বন্ধ করতে পারবে না। শ্যামল চক্রবর্তীর অভিযোগ, "ধর্মঘটের দিন দোকান খোলা রাখার জন্য প্রশাসন অন্যায় ভাবে ব্যবসায়ীদের উপর চাপ দিচ্ছে। লাইসেন্স বাতিলেরও হুমকি দিচ্ছে।" এ ভাবে ধর্মঘট বন্ধ করা যায় না বলে জানিয়েছেন শ্যামল বাবু।