হলদিয়া বাঁচাতে পদযাত্রায় যুব ফেডারেশন

Update: January 8, 2013 09:50 IST

১৯৮৪-র পর ২০১৩। উনত্রিশ বছর আগে গড়ার লক্ষ্যে কলকাতা থেকে হলদিয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করেছিলেন ভারতের যুব ফেডারেশন। আর ২৯ বছর পর সেই হলদিয়া শিল্পনগরীকে বাঁচাবার লক্ষ্যেই আবার পদযাত্রা শুরু করল যুব ফেডারেশন। গতকাল কলেজস্ট্রিট থেকে ওই পদযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

চৌত্রিশ বছরে তিল তিল করে এরাজ্যে যা শিল্প গড়ে তোলা হয়েছে, তা সবই ধ্বংস করছে বর্তমান সরকার। সোমবার, এই ভাষাতেই তৃণমূল সরকারের শিল্পনীতি, জমিনীতির সমালোচনা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। ভারতের যুব ফেডারেশনের আহ্বানে হলদিয়ায় শিল্প বাঁচানোর দাবিতে এদিন কলকাতা থেকে হলদিয়া পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রার সূচনা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। এই রাজ্যে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব নিয়ে প্রশাসন এবং শাসকদলের নিষ্ক্রিয় মনোভাবের কড়া সমালোচনা করেন বিমান বসু। ব্যক্তিস্বার্থে হলদিয়াকে ধ্বংস করা হচ্ছে বলে এদিনের সভায় মন্তব্য করেন মহম্মদ সেলিম।

কলেজস্ট্রিট থেকে সোমবার পদযাত্রা শুরু হয়ে, প্রথমে থামবে হাওড়ায়। এরপর মেদিনীপুর হয়ে হলদিয়ায় পদযাত্রা পৌঁছবে তেরোই জানুয়ারি। হলদিয়া এবং রাজ্যের শিল্পায়নের অগ্রগতির দাবিতে ওইদিনই হলদিয়ায় সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান বক্তা হিসেবে সভায় থাকবেন নিরূপম সেন ও রবীন দেব।

Post Your Comment

Total Comments:3

etai to poribarton...

ATI KI PARIBARTAN?

ATI KI PARIBARTAN?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।