আন্দামানে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত পর্যটকরা

Update: December 27, 2011 19:28 IST

খারাপ আবহাওয়ার কারণে আন্দামানের হ্যাভলক দ্বীপে এখনও আটকে রয়েছেন ১২০০ পর্যটক। তাঁদের মধ্যে ৯৬০ জন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা।

প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টিতে হ্যাভলক দ্বীপ এমনিতেই বিধ্বস্ত। তার উপর নতুন করে দুর্যোগ হওয়ায়, পরিস্থিতি আগের চেয়ে আরও খারাপ হয়েছে। বেড়াতে গিয়ে বন্দি হয়ে পড়েছেন পর্যটকরা।

হ্যাভলকের একটি সরকারি কটেজে অনেক পর্যটককে রাখা হয়েছে। সেখানে বিদ্যুত্ নেই। পর্যাপ্ত খাবার ও পানীয় জলও অমিল। ঠিক হয়েছে, আবহাওয়া ভাল থাকলে পর্যটকদের পাঁচটি জলযানে করে দফায় দফায় হ্যাভলক থেকে পোর্টব্লেয়ার নিয়ে যাওয়া হবে। কিন্তু আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়ায়, উদ্ধার অভিযান এখন অনিশ্চিত।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।