আকবরের রেকর্ড ভেঙে ১৪ সেকেন্ডে গোল মোগার

Update: November 24, 2012 20:11 IST

ভারতীয় ফুটবলে দ্রুততম গোল করার ৩৭ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিলেন পুণে এফ সি-র তারকা স্ট্রাইকার জেমস মগা। ইউনাইটেড সিকিমের বিরুদ্ধে মাত্র ১৪ সেকেন্ডে গোল করেন সুদানের এই স্ট্রাইকার। এর আগে এই রেকর্ড  ছিল আকবরের দখলে। ১৯৭৬ সালে ডার্বি ম্যাচে মাত্র ১৬ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন মোহনবাগানের আকবর। যা ভারতীয় ফুটবলে ৩৭ বছর ধরে অক্ষত ছিল। এতদিন আই লিগে দ্রুততম গোল করার নজির ছিল সুলে মুসার। সমস্ত রেকর্ডই শনিবার ভেঙে দিলেন জেমস মগা।
শনিবার পুণের শিব ছত্রপতি স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ভাইচুং ভুটিয়ার ক্লাব ইউনাইটেড সিকিমের বিরুদ্ধে এ হেন কাণ্ড ঘটিয়ে পুণে এফসির সুদানের এই ফুটবলার রাতারাতি তারকা বনে গেলেন। রেফারির বাঁশি বাজানোর ঠিক পরেই বল গিয়ে পড়ে মোগার পায়ে, কিছুটা দৌড়ে যখন মোগা জালে বল জড়ালেন তখন ম্যাচের বয়স মাত্র ১৪ সেকেন্ড। গোটা মাঠ তখন অবাক। শুরু হয়ে গেল রেকর্ড বই খোঁজা। অবেশেষে জানা গেল ভারতীয় ফুটবল সুদানের এক জাতীয় ফুটবলারের পায়ে পেয়ে গেল নতুন কীর্তি। ম্যাচে অবশ্য এরপর ১-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে পুণে এফসি। কিন্তু দিনটা আজ মোগার। সেই মোগার পায়েই ম্যাচের ৬৮ মিনিটে সমতায় ফিরে পুণে এফসি। সেইটাই ম্যাচের চূড়ান্ত ফল হয়ে দাঁড়ায়। সেই সঙ্গে মোগার কীর্তির দিন কোচ ভাইচুং ভুটিয়া প্রথম পয়েন্ট পেলেন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।