আইপিএলে সচিনের দলে পন্টিং, চমক ম্যাক্সওয়েল

Update: February 3, 2013 16:14 IST

আইপিএল সিক্সে এবার একসঙ্গে খেলতে দেখা যাবে ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তিকে। রবিবার নিলামে রিকি পন্টিংকে বেস প্রাইস ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকাতে কিনে নেয় আম্বানির দল মুম্বই ইন্ডিয়ন্স। আজকের নিলামে বাজিমাত করল মুম্বই ইন্ডিয়ন্সই। রিকি পন্টিংকে ছাড়াও তারা দলে তুলে নিল অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও। নিলামের বাজারে আজ ২৪ বছরের এই অসি অলরাউন্ডারই সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হলেন।

অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে আটটা ওয়ানডে আর নটা টি টোয়েন্টি খেলা ম্যাক্সওয়েলকে ৫ কোটি ৩১ লক্ষ টাকায় দলে সচিনদের দলে নিয়ে আসার পিছনে থাকল অন্য অঙ্ক। সাইমন্ডসের অভাব ঢাকতেই নিয়ে আসা হল ম্যাক্সওয়েলকে। ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে যখন আইপিএলের নিলামের বাজারে দড়ি টানাটানি চলছে তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে ম্যাচে প্রথম বলেই মাত্র শূন্য রানে আউট হয়ে গেলেন। তবু ম্যাক্সওয়েলই আজ নিলামের বাজারে হিরো।

আইপিএলে শেষবার পন্টিং খেলেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। তবে সেবার ব্যর্থ হয়েছিলেন রিকি। আন্তর্জাতিক টি ২০ তেও মোটেও সফল নন অসি কিংবদন্তি এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর আইপিএলে অন্য পন্টিংকে দেখা যাবে বলেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করেছেন।


এদিনের নিলামে পন্টিং ছাড়া যার দিকে নজর ছিল সেই মাইকেল ক্লার্ক পুণে ওয়ারিয়র্সেই থেকে গেলেন। পঞ্চম আইপিএলে সেভাবে নজর না কাড়লেও ক্লার্ককে দলে রাখার পিছনে অধিনায়ক করার যুক্তি থাকল কিনা সেটা নিয়ে জল্পনা চলল। সৌরভ গাঙ্গুলির দল পুণে ওয়ারিয়র্সে ক্লার্ক ছাড়াও এলেন প্রাক্তন নাইট তথা শ্রীলঙ্কান স্পিনার অজন্তা মেন্ডিস, অভিষেক নায়ার, অসি ক্রিকেটার কেন রিচার্ডসন।

কলকাতা নাইট রাইডার্স এদিনের নিলামে মাত্র একজন ক্রিকেটারকেই কিনল। শাহরুখ খানের দলে এলেন শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার সাচিত্রা সেনানায়েকে। ধোনির দলে এলেন ডার্ক ন্যানেস।
আজকের নিলামে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটারকে কিনল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আরপিসিং সহ মোট ছ জন ক্রিকেটারকে দলে নিল তারা।
রবিবারের নিলামে কোন ক্রিকেটারকে কিনল কোন দল (এক নজরে)--

চেন্নাই সুপার কিংস

ক্রিস্টোফার মরিস, ডার্ক ন্যানেস, বেন লাফলিন


দিল্লি ডেয়ারডেভিলস


জোহান বোথা, জেস রাইডার, জীবন মেন্ডিস

কিংস XI পাঞ্জাব


মনপ্রীত সিং গোনি, লিউক পোমেরাসব্যাক,

কলকাতা নাইট রাইডার্স

সাচিত্রা সেনানায়কে

মুম্বই ইন্ডিয়ন্স

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, রিকি পন্টিং, ন্যাথান কোল্টার, ফিলিপ হিইজ

পুণে ওয়ারিয়র্স


অজন্তা মেন্ডিস, কেন রিচার্ডসন, অভিষেক নায়ার, মাইকেল ক্লার্ক, রাজস্থান রয়্যালস, জেমস ফালকনার, ফিডেল এডওয়ার্ডস

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর
জয়দেব উনদকট, রুদ্র প্রতাপ সিং, হেনরিকে,রবি রামপাল, পঙ্কজ সিং, ক্রিস্টোফার বার্নওয়েল

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ
থিসরা পেরেরা, ডারেন স্যামি, সুদীপ ত্যাগি,নাথান ম্যাককালাম



কেউ কিনল না যাদের (উল্লেখ্যযোগ্য)-- হারশেল গিবস, ড্যারেন ব্র্যাভো, উপুল থারাঙ্গা, রবি বোপারা, জেমস হোপস, ড্যানিয়েল ক্রিশ্চান
 




Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।