মেসিদের চার গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে বায়ার্ন মিউনিখ

মেসিদের দুঃস্বপ্নের রাত উপহার দিয়ে ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিল বায়ার্ন মিউনিখ। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম পর্বে বার্সেলোনাকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল জার্মান ফুটবলের প্রতীক বার্য়ান। সব হিসাবকে উল্টে দিয়ে বায়ার্ন জিততে এমন এক ব্যবধানে যেখানে থেকে মেসিদের প্রত্যাবর্তন

Updated: Apr 24, 2013, 09:15 AM IST

বায়ার্ন মিউনিখ (৪) বার্সেলোনা (০)
(টমাস মুলার ২টি, গোমেজ, রবেন)
মেসিদের দুঃস্বপ্নের রাত উপহার দিয়ে ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিল বায়ার্ন মিউনিখ। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম পর্বে বার্সেলোনাকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল জার্মান ফুটবলের প্রতীক বার্য়ান। সব হিসাবকে উল্টে দিয়ে বায়ার্ন জিততে এমন এক ব্যবধানে যেখানে থেকে মেসিদের প্রত্যাবর্তন করে ফাইনালে ওঠা এক কথায় অসম্ভব।
ইউরোপের সেরা এই ক্লাব প্রতিযোগিতায় ফাইনালে মেসিদের সামনে এখন একটাই হিসাব। আগামি ২ মে ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে পাঁচ গোলে জিততে হবে। মেসিরা অনেক হিসাব উল্টে দিয়ে নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে সেমিফাইনালে উঠে ছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে এত বড় অঘটনের পর মেসিদের নিয়ে এত বড় স্বপ্ন এখন আর কেউ দেখছেন না।
মঙ্গলবার ভারতীয় সময় রাতে অ্যালিয়েঞ্জ এরিনায় যা ঘটল তা সাম্প্রতিক ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা অঘটন। ইতিহাস থেকে শুরু করে বড় নাম, ফর্ম থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত নৈপন্য সবারই বিচারে এগিয়ে ছিল বার্সেলোনা। কিন্তু মাঠে হল ঠিক উল্টো। ম্যাচের আগে থেকে বার্সাকে ফেভারিট ধরায় জার্মান রক্ত কোথাও যেন গরম হয়ে গেছিল। তারই প্রভাব পড়ল মাঠে। মেসিকে ম্লান করে উজ্জ্বল হয়ে উঠলেন মুলার। ম্যাচের ২৩ মিনিটে মুলারের হেড থেকে গোলের মাধ্যমে উত্‍সব শুরু বায়ার্নের। তখনও অবশ্য বোঝা যায়নি, এত বড় অঘটন ঘটছে।
বিরতির পর সেটাই ঘটল। বিরতির পরই মারিও গোমেজের গোল ২-০ গোলে এগিয়ে দিল জার্মান ক্লাবটিকে। মেসিরা এরপর আক্রমণে তেড়েফুঁড়ে উঠলেন। কিন্তু তিকিতাকায় সেই জোর ছিল না। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে রবেনের গোলের পর বোঝা গেল বার্সা ডিফেন্স আজ শুধুই দর্শক। সেই দর্শকদের আরও একবার হতবাক করলেন মুলার। বায়ার্নের ঘরের মাঠের স্কোরবোর্ড দেখে অনেকেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না। জ্বলজ্বল করে তাতে লেখা বায়ার্ন মিউনিখ (৪) বার্সেলোনা (০)। ফুটবল এখানেই সুন্দর। তোমায় যেই রাজা বলুক, ফকির হতে তোমার লাগবে ৯০ মিনিট। সেটাই হল। অবশ্য তিকিতাকার পতনটা আজ না, অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। যার পরিষ্কার দেওয়াল লিখনটা লিখলেন মুলার, গোমেজরা।