জানেন কোন রঙের গাড়ি বেশি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে? জানেন কোন রঙের গাড়ি বেশি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে?

একটা সময় দুর্ঘটনা সেটাকেই ধরা হত, যেটা রোজ রোজ ঘটে না। কিন্তু আজকের এই দ্রুত গতির জীবনে, দুর্ঘটনার মানেই যেন বদলে গিয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে দুর্ঘটনা। প্রার্থনা, পৃথিবীতে কম ঘটুক দুর্ঘটনা। কিন্তু, যা দুর্ঘটনা আজ পর্যন্ত ঘটে গিয়েছে, তারও তো একটা ইতিহাস বা বিজ্ঞান রয়েছে। সেই সব দুর্ঘটনার কথা হিসেব করে দেখা গিয়েছে যে,  লাল রঙের গাড়ি সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সাদা রঙের গাড়িতে দুর্ঘটনা তুলনায় কম ঘটে। এবার ভাবছেন তো, আপনার গাড়ির রঙ কী? সেই অনুযায়ী এখন থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করুন কিন্তু। ঈশ্বর করুন, আপনার জীবনে যেন কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে। কিন্তু নিজের গাড়ি কেনার সময় অন্তত এই তথ্যটা মাথায় রাখবেন। তাতে নিশ্চয়ই আপনার ভালোই হবে।

কন্টেনারের চাকার পিষ্ট হয়ে মৃত্যু মহিলার কন্টেনারের চাকার পিষ্ট হয়ে মৃত্যু মহিলার

কন্টেনারের চাকার পিষ্ট হয়ে মৃত্যু মহিলার। শহরের রাজপথে গত গু-তিনদিন সমানে দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। কখনও মিনিবাস ফুটপাথের পাশের দোকানে ধাক্কা মারছে, কখনও বা ট্রাক গিয়ে ধাক্কা মারছে ছোট গাড়িকে। কিছুতেই আয়ত্তে আনা যাচ্ছে না দুর্ঘটনাকে। এদিনও রাতে ঘটল ফের দুর্ঘটনা। মৃতের সঙ্গী ব্যক্তি আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি। মেয়ো রোড ক্রসিংয়ে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে কাল রাতে। ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি এবং মহিলা। তখনই দ্রুতগতিতে একটি কন্টেনার এসে মহিলাকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়। সামনেই ছিল পুলিস বুথ। মোতায়েন ছিল প্রচুর পুলিস। অথচ তাঁদের নাকের ডগাতেই এই কাণ্ড ঘটিয়ে উধাও হয়ে যায় কন্টেনারটি। রাতের কলকাতায় ফের পুলিসের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

খিদিরপুরে বালিবোঝাই লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর খিদিরপুরে বালিবোঝাই লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর

খিদিরপুরে বালিবোঝাই লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। মৃত শেখ শাহরুখ মোমিনপুরের বাসিন্দা। গতকাল রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটে সেন্ট থমাস স্কুলের সামনে।  দুর্ঘটনার জেরে দফায় দফায় পথ অবরোধ হয়। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিসের গাড়ি ভাঙচুর করে উত্তেজিত জনতা। ফের রাতের কলকাতায় পথদুর্ঘটনা। এবারও ঘটনাস্থল খিদিরপুর। মঙ্গলবার রাত দশটা নাগাদ খিদিরপুরের সেন্ট থমাস স্কুলের সামনে এক বাইক আরোহীকে ধাক্কা মারে একটি বালি বোঝাই লরি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শেখ শাহরুখ নামে এক যুবকের। মোমিনপুরের বাসিন্দা শেখ শাহরুখ কর্মসূত্রে দুবাইতে থাকেন। কিছুদিন আগেই কলকাতায় ফেরেন তিনি। দুর্ঘটনার পরই দফায় দফায় পথ অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবরোধ তুলতে গেলে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিস। ভাঙচুর করা হয় ডিসি পোর্টের গাড়ি। লাঠিচার্জ ছাড়াও পুলিসের বিরুদ্ধে গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে।