নববর্ষ মানেই বাঙালির দুই সেরা ডেস্টিনেশন কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বর

নববর্ষ মানেই বাঙালির দুই সেরা ডেস্টিনেশন কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বর

নববর্ষ মানেই হাল খাতা। আর হাল খাতা মানেই বাঙালির দুই সেরা ডেস্টিনেশন কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বর। আজ সকাল থেকেই তাই দক্ষিণেশ্বরে মানুষের ঢল। দূর দূরান্ত থেকে অনেকেই এসেছেন নতুন বছরের পুজো দিতে। আবার অনেক

পুজো দিয়ে বর্ষশেষ মুখ্যমন্ত্রীর, সেইসঙ্গে বর্ষবরণও

পুজো দিয়ে বর্ষশেষ মুখ্যমন্ত্রীর, সেইসঙ্গে বর্ষবরণও

অনলাইনের যুগ এখন। সব কাজই প্রায় কম্পিউটারে। খাতা-পেন-পেন্সিল নিয়ে বসে পড়া নয়। বরং মাউস-কি বোর্ড নিয়ে নাড়াচাড়া। তবু হিসেবটা একটু হলেও আলাদা, বাংলা নববর্ষে। আজ হালখাতা উত্‍সব। লাল রঙের জাবদা খাতা,

 আজ পয়লা বৈশাখ, এসো হে বৈশাখ, এসো এসো, এই সুরে সুর মেলাবার দিন

আজ পয়লা বৈশাখ, এসো হে বৈশাখ, এসো এসো, এই সুরে সুর মেলাবার দিন

হ্যাপি নিউ ইয়ার নয়। আজ পয়লা বৈশাখ। এসো হে বৈশাখ...এসো এসো, এই সুরে সুর মেলাবার দিন। নতুন জামাকাপড়। কবজি ডুবিয়ে বাঙালি খানাপিনা। বৈশাখি আড্ডা। গান-নাচ-আবৃত্তি-মেলা। উত্‍সবের রঙিন কোলাজ। সব নিয়েই তো

স্বাগত ১৪২৪! নতুনের আহ্বানে রঙিন বাংলাদেশ

স্বাগত ১৪২৪! নতুনের আহ্বানে রঙিন বাংলাদেশ

স্বাগত চোদ্দোশো চব্বিশ। এই সুরেই মিলল সব সুর। উত্‍সবে রঙিন বাংলাদেশ। এপার বাংলার একদিন আগেই, মেতে উঠল ওপার বাংলা। পথে মানুষের ঢল। জমজমাট বৈশাখী আড্ডা।

পয়লা বৈশাখে প্রচারেও অভিনব বাংলা, কেউ লস্যিতে, কেউ মাদলে চাইলেন ভোট

কেউ বিলি করলেন লস্যি। কেউ আবার পদ্মফুল হাতে তুলে দিয়ে জানালেন শুভেচ্ছা। কোথায় আবার শোনা গেল ধামসা মাদলের সুর। বাংলা নববর্ষের প্রথমদিনটা অন্যরকমভাবে প্রচার সারলেন ডান বাম পদ্ম, সব শিবিরের প্রার্থীরা

পয়লা বৈশাখের ভুড়িভোজের পর সুস্থ থাকার টিপস

পয়লা বৈশাখের ভুড়িভোজের পর সুস্থ থাকার টিপস

পয়লা বৈশাখ মানেই ভুড়িভোজ। একদিন খাওয়া, দাওয়ার বাঁধ মানে না বাঙালির। বছরের প্রথম দিনটা নতুন জামাকাপড় পরে, পেটপুরে খেয়ে, পরিবারের সঙ্গে কাটাতেই ভালবাসে বাঙালি। তবে একে অতিরিক্ত ভোজন, তারওপর হাসফাঁস

নববর্ষ স্পেশাল: ইলিশ পান্তা

নববর্ষ স্পেশাল: ইলিশ পান্তা

পয়লা বৈশাখের অন্যতম জনপ্রিয় রেসিপি ইলিশ পান্তা। বাঙলা দেশে বহুকাল ধরে চলে আসছে পান্তা ভাতে ইলিশ খাওয়ার চল। রইল রেসিপি।

নতুন শুরুর ব্যস্ততায় মাতল শহর

নববর্ষের ঠিক আগে ছুটির দিন রবিবারেও গড়িয়াহাট, হাতিবাগানে হাঁটা দায়। ভ্যাপসা গরম দূরে সরিয়ে শেষ বেলায় চৈত্র সেলের কেনাকাটা সারতে দিনভর ব্যস্ত শহর। কাঠফাটা রোদ্দুর, ভ্যাপসা গরম আর বাসে-ট্রামে

ছানার পাটিসাপটা

পাটিসাপটা জিনিসটা বড় অদ্ভুত। দেখতে যেমন তেমনই হোক, আকার নিয়ে যতই হাসিঠাট্টা হোক, আসলে পাটিসাপটা হল খিদের রাজ্যে মহারাজা। সেই মহারাজার সঙ্গে ছানার পরিচয় ঘটালে কেমন হয়? পরিচয় পর্বটা আমরা শেখাচ্ছি,

ডিমের পায়েস

পায়েস খেতে ভালবাসে না এমন বাঙালি আছে কি? নববর্ষের দিন গায়ে নতুন পোশাক, পায়ে নতুন জুতো, মনে নতুন প্রেমের সঙ্গে যদি পাতে পায়েস থাকে তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু পায়েস তো জন্মদিন কিংবা আর পাঁচটা খুশির দিনে

কাঁচা আমের চাটনি

বাঙালির কাছে উত্‍সবের পোশাক হল পেটপুরে খাওয়া। আর সেই পোশাকের প্রসাধন হল চাটনি। আর চাটনিটা যদি হয় কাঁচা আমের। জানি এটুকু পরেই জিভে জল আসছে। কিন্তু লোভনীয় এই পদটা যদি এই উত্‍সবের আমেজের মাঝে বাড়ির

কই মাছে হর-গৌরী

এক অঙ্গে বহু রূপ যদি সম্ভব তাহলে এক পদে ডবল স্বাদ হবে না কেন? বাঙালির হেঁসেল যতদিন বহাল তবিয়তে টিকে আছে ততদিন এক পদে ভিন্ন স্বাদের অভাব হবে না। একদিকে তেলে ঝালের ডুয়েট অন্যদিকে তেঁতুল আর চিনির সহবাস

তোপসে ফ্রাই

পয়লা বৈশাখের খাওয়া দাওয়া কিঞ্চিৎ রাজকীয় হওয়াই বাঞ্ছনীয়। তাই খানা শুরুর প্রাথমিক পর্যায়ে ভাজাভুজিটাও নিরামিষকে পাস কাটিয়ে আমিষমুখী। আর বাঙালির পাতে চিরন্তন তোপসে ফ্রাই দিয়ে পথ চলা শুরু করলে বাকিটাও

ছানার ডালনা

পয়লা বৈশাখে নিরামিষ পদ থাকাটা মাস্ট। তবে বছরের প্রথম দিনে তো নিরিমিষের রোজনামচা মেনে নেওয়া যায় না। তাই স্পেশাল দিনে ইস্পেশাল নিরামিষ কিন্তু জিভের আন্তরিক বন্ধু ছানার ডালনার রেসিপি রইল পাঠকদের জন্য।