নির্বাচন কমিশন এখন রাজ্য সরকারের অ্যাপেন্ডিক্স, কটাক্ষ বিমান বসুর

নির্বাচন কমিশন এখন রাজ্য সরকারের অ্যাপেন্ডিক্স, কটাক্ষ বিমান বসুর

নির্বাচন কমিশন এখন রাজ্য সরকারের অ্যাপেন্ডিক্স । কমিশনের  নির্দিষ্ট কোনও ভূমিকা নেই। ভোটেও নেই। ভোটের পরেও নেই। তাই কমিশন থাকা না থাকায় কিছু এসে যায় না। মন্তব্য বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর।

ভোট গণনার মাঝেই চলল অশান্তি, মিটতেই খুন

কংগ্রেস কর্মী খুন, বিরোধী প্রার্থী-এজেন্টদের মারধর, সিপিআইএম দলীয় কার্যালয়ে আগুন। পঞ্চায়েত ভোটের ফল বেরোতেই শাসক দলের সন্ত্রাসের নিশানায় বিরোধীরা।

ভোট গণনার কর্মীতেও ঘাটতি

পঞ্চায়েত ভোটের গণনা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভোট গণনার জন্য ৯৮ হাজার ৭০০ কর্মী প্রয়োজন। রাজ্য সরকার ৫০ হাজার কর্মী দিতে পারলেও বাকি কর্মী দিতে পারছে না। ফলে বাকি ৪৮ হাজার ৭০০ কর্মীর ঘাটতি মেটাতে গণনায় শিক্ষকদেরও নিয়ে আসা হবে। সরকারি স্কুলে এতো সংখ্যক শিক্ষক না থাকায়, সরকার অনুমোদিত স্কুলগুলি থেকেও শিক্ষক আনা যাবে বলে সরকারের তরফে কমিশনকে জানানো হয়েছে।

অনুব্রত, মণিরুলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আরও কড়া কমিশন

উস্কানিমূলক মন্তব্য করায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে। পার পেয়ে যাচ্ছেন মণিরুল ইসলামের মতো শাসক দলের নেতারাও। উদাসীন প্রশাসন। বীরভূমের ওই দুই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে এবার জেলাশাসক এবং পুলিস সুপারকে চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন।   

বাহিনী জট কাটাতে এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দিল কমিশন

অবশেষে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ঘিরে জট কাটাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। একাধিক দফায় ভোট আর কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনে প্রথম থেকেই রাজি ছিল না রাজ্য সরকার। শেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পাঁচ দফায় ভোট আর কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তই গিলতে হয়েছে সরকারকে। কিন্তু সরকারের টালবাহানায় ভোট গড়িয়েছে রমজান মাসে।

বিয়ের সানাই বাজল রাজ্য নির্বাচন কমিশনে

দীর্ঘ ১১ মাস, এই বাড়ি জমজমাট। খবরের শিরোনামে সবসময়। কমিশনকে ঘিরে হৈ হৈ এখনও চলছে। আজও এ বাড়ি জমজমাট। তবে খবরের শিরোনামে নয়। আজ কমিশনের বাড়িতে বিয়ের আয়োজন। টানা ১১ মাসের বেশিরভাগ দিনই কোনো না কোনো ঘটনায় হৈ হৈ হয়েছে রডন স্ট্রিটের এই বাড়িতে। মাত্র কয়েকদিন আগে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর কিছুটা হলেও লোক জন আসায় কিছুটা হলেও ভাঁটা পড়েছে।

পঞ্চায়েত ভোট সুষ্টুভাবে করতে সর্বদল বৈঠকের ডাক কমিশনের

পঞ্চায়েত ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় তার জন্য আগামী মঙ্গলবার সর্বদল বৈঠকে বসবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তার আগে সোমবার জেলার পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। মঙ্গলবার সর্বদলের পাশাপাশি ডিজি এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গেও বৈঠক করবে কমিশন। ৩ এবং ৪ জুলাই জেলাশাসক এবং পুলিস সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা। সুপ্রিম কোর্ট পঞ্চায়েত ভোটের জন্য যে সময়সীমা ধার্য করেছে, তার মধ্যে রমজান মাস পড়ছে। রয়েছে উল্টোরথ। এর পাশাপাশি ক্যালেন্ডারের নিয়ম মেনে সেই সময় ভরা বর্ষা চলার কথা। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে ভোটপর্ব নির্বিঘ্নে সারা যায়, তা নিয়ে আলোচনার জন্য সব দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

এবার জটিলতা ভোটের মাস নিয়ে

এক জট থেকে বেরিয়ে এবার আরেক জটিলতায় পঞ্চায়েত ভোট। দিনক্ষণ, জেলাবিন্যাস, বাহিনী সংখ্যা-সবকিছু গতকালই ঠিক করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু রমজান মাসে ভোট নিয়ে ইতিমধ্যে আপত্তি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। শুরু হয়ে গেছে আন্দোলনের প্রস্তুতিও।  রমজান মাসে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে জমিয়তে-এ-উলেমা-এ হিন্দ। সংগঠনের নেতা সিদ্দিকুল্লা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি পরামর্শ নিচ্ছেন আইনজীবীদের।

পঞ্চায়েত ভোট হবেই, দাবি মীরার

পঞ্চায়েতের জটিলতা গড়িয়েছে শীর্ষ আদালতে। প্রশ্নের মুখে ভোটের ভবিষ্যৎ। কিন্তু আশা ছাড়তে নারাজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডে। তাঁর বিশ্বাস `ভোট হবেই`। এ দিন বলেন, "পঞ্চায়েত ভোট হবেই। তবে দিন একটু এদিক-ওদিক হতে পারে।" তবে ঠিক কোন আশাতে বুক বাঁধছেন কমিশনার? জবাব দিয়েছেন তিনিই, "শুধু বাহিনীর সমস্যা মেটাতে হবে।"

রাজ্যকে চূড়ান্ত চিঠি নির্বাচন কমিশনের

আদালতের নির্দেশ মতো বাহিনী নিয়ে রাজ্য সরকারকে চূড়ান্ত চিঠি দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবের কাছে ওই চিঠি পৌঁছেছে।

মনোনয়ন পেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ হাইকোর্টের

পঞ্চায়েত নির্বাচনে সব প্রার্থীর মনোনয়ন পেশ নিশ্চিত করতে হবে। সেজন্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সশস্ত্র পুলিস দিতে  হবে রাজ্য সরকারকে। আজ এই মর্মে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

মীরা পাণ্ডেকে হুমকি চিঠি

পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে যিনি লড়াই করে আসছেন, সেই নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডের নিজের নিরাপত্তা নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠে গেল। তাঁর ওপর হামলা হতে পারে, এই আশঙ্কা প্রকাশ করে রাজ্যসরকারকে চিঠি দিলেন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডে।

পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে দেখা হবে না রাজনৈতিক রং, নির্দেশ কমিশনের

পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে, সভা করার অনুমতি দেওয়ার সময় রাজনৈতিক রং যেন দেখা না হয়। মনোনয়ন পত্র দাখিলের সময় গণ্ডগোলের অভিযোগ পেলেও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। দক্ষিণবঙ্গের আটটি জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা কমিশনের।

সরকার-কমিশন সংঘাত অব্যাহত

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সরকার-কমিশন সংঘাত অব্যাহত। জেলাবিন্যাস এবং ১০ জুলাই ভোটের দিন পরিবর্তনের দাবিতে আজ সরকারকে চিঠি পাঠাল কমিশন। রাজ্য সরকার চাইছে, ৯-৪-৪ জেলাবিন্যাসে ভোট করাতে। কিন্তু কমিশনের প্রস্তাব পঞ্চায়েত ভোট হোক ৬-৫-৬, এই জেলাবিন্যাসে।

ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে সংঘাতে রাজ্য-কমিশন

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফের সংঘাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। কমিশনের দেওয়া দিন মেনে আজ রাজ্য সরকার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও জেলা বিন্যাস নিয়ে দু'পক্ষের জটিলতা রয়েই গেছে। সর্বদলীয় বৈঠকে ওঠা বিভিন্ন  প্রস্তাবগুলি বিবেচনার পর চলতি সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি জারি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু কমিশন এখনই তা মানতে নারাজ।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের জট কাটলেও আদালতের পথ বন্ধ করছে না কমিশন

পঞ্চায়েত জটিলতা কাটাতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্য সরকার। সেইসঙ্গেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল দুই শিবিরেই।