আগামিকাল শীত আরও বাড়বে!

আগামিকাল শীত আরও বাড়বে!

আগামিকাল শীত আরও বাড়বে। তবে শীতের মেয়াদ বেশি দিনের নয়, একেবারে বিজ্ঞানের শর্ত অনুসরণ করে না বললেও, পাঁচিশে জানুয়ারির পরই রাজ্যে শীতের বিদায়। তবে যাওয়ার আগে শীতের  শেষ কামড়ে জবুথুবু দশা রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ। এবার তেমন শীত নেই, এই ধরনের হা-হুতাশ নয়, এবছর শীতই পড়েনি।  গোটা পৌষ গেছে বসন্তের  উষ্ণতায়। মাঘের শীতে বাঘ পালায়, একথাও সত্যি মনে হচ্ছিল না মাঘের প্রথম দিকে ।  

আজ ১৭.৭ ডিগ্রি- গত ১১৫ বছরে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এত কম ঠান্ডা পড়েনি আজ ১৭.৭ ডিগ্রি- গত ১১৫ বছরে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এত কম ঠান্ডা পড়েনি

রেকর্ড গড়ল এবছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ। হাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, গত ১১৫ বছরে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এত কম ঠান্ডা পড়েনি। আজ দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি বেশি। কালপ্রিট দুর্বল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। ওনার কারসাজিতেই মাঝ জানুয়ারিতে শীত চুরি।  

শীতের রুক্ষতা থেকে হাতকে রক্ষা করবেন কীভাবে, জানুন শীতের রুক্ষতা থেকে হাতকে রক্ষা করবেন কীভাবে, জানুন

শীতকালে তো অনেক মজা। মানে বেশিরভাগ মানুষই তো শীতকাল পছন্দ করেন। খেয়ে মজা। ঘুমিয়ে মজা। ঘুরে মজা। কিন্তু শীতকালে জ্বালাও তো কম নেই। শীতকালে গা-হাত-পা যে শুষ্ক, রুক্ষ হয়ে যায়। তাই সে এক বড় সমস্যা। যতই ক্রিম মাখুন। হাত পা ফাটা না হয় আটকাতে পারলেন। কিন্তু শরীরের রুক্ষতা আটকাতে যে মাথার ঘাম পড়ে যায় শীতকালেও। কেন শীতকালে হাত, পা রুক্ষ হয়ে যায়, তার কারণ তো সবাই জানে। কিন্তু এর থেকে বাঁচবেন কীভাবে?

আজ মরশুমের শীতলতম দিন আজ মরশুমের শীতলতম দিন

মেঘ সরতেই শীতের জানান দিচ্ছে উত্তুরে হাওয়া। আজ মরশুমের শীতলতম দিন। আজকের তাপমাত্রা বারো পয়েন্ট ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। পচিশে ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত শীত না পড়ার অন্যতম কারণ ছিল মেঘ। বড়দিনের আকাশ পরিষ্কার হতেই ঠান্ডার কামড় বাড়তে শুরু করেছে। গত কয়েক দিনে বেশ কিছুটা নেমেছে তাপমাত্রা। অন্যান্য বছর পচিশে ডিসেম্বরের পর তাপমাত্রা বারোর আশপাশেই থাকে। এবার অনেক দেরিতে এসেও, সেই তাপমাত্রা ছুঁতে পেরেছে শীত। আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে শীতের আমেজ থাকবে বলে খবর আবহাওয়া দফতর সূত্রে।সেক্ষেত্রে দেরিতে এলেও শীত উপভোগ করতে পারবেন বাংলার মানুষ।

অবশেষে শীত এল রাজ্যে অবশেষে শীত এল রাজ্যে

দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে শীত এল। রাজ্যবাসীকে স্বস্তির কাঁপুনি দিয়ে নামল তাপমাত্রা। কলকাতায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেরো দশমিক পাঁচ। শুক্রবার ছিল উষ্ণতম বড়দিন। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আঠারো দশমিক এক। যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি বেশি। সেই তুলনায় একরাতে অনেকটাই পড়েছে পারদ। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন রবি ও সোমবার এমনই থাকবে তাপমাত্রা। কিন্তু, তারপর কী হবে তার নির্দিষ্ট ভবিষ্যত্‍বাণী করতে পারছেন না কেউই। কারণ প্রশান্ত মহাসাগরে উষ্ণস্রোত বা এলনিনো। দুহাজার পনেরো-ষোলো এল নিনো বছর হওয়ায় এলোমেলো হয়ে গেছে উপমহাদেশের আবহাওয়ার সূচি।

কনকনে শীত নেই কলকাতায়, তেরো ডিগ্রিতেই পৌষের পরশ, শীত শীত ভাব কনকনে শীত নেই কলকাতায়, তেরো ডিগ্রিতেই পৌষের পরশ, শীত শীত ভাব

আর কোনও বাধা নেই।  উত্তুরে হাওয়ায় তেজিয়ান শীতকে আটকাতে কোনও  নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্ত নেই বঙ্গোপসাগর, আরবসাগরে। কনকনে শীত না থাকলেও পৌষের প্রথমে ভাল ঠাণ্ডা শহর কলকাতায়।  আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেরো ডিগ্রি। জেলায় কোথাও তাপমাত্রা এগারো-কোথাও বা  আট ।  

পশ্চিমী ঝঞ্ধার পাশ কাটিয়ে অবশেষে রাজ্যে এল শীত পশ্চিমী ঝঞ্ধার পাশ কাটিয়ে অবশেষে রাজ্যে এল শীত

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার পাশ কাটিয়ে অবশেষে রাজ্যে এল শীত। মাঝ ডিসেম্বরে শীতের দেখা পেয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন রাজ্যবাসীও। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস আগেই ছিল।কাল থেকে নামতে শুরু করে পারদও।

শীতকে কাবু করার ৫টি ঘরোয়া টোটকা শীতকে কাবু করার ৫টি ঘরোয়া টোটকা

শীতকালে গরম থাকা খুব একটা সহজ নয়। তবে শুধুমাত্র সোয়েটার পরে থাকলেই তো আর ঠান্ডা লাগার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না। তার জন্য কতগুলো ঘরোয়া টোটকা মেনে চলেই হয়। তবে টোটকার মধ্যে গা গরম রাখার উপায় বা ঠান্ডা না লাগার উপায়ে হিসেবে কখনওই মদ বা কফিকেই বেছে নেবেন না। এই গুলি শরীর গরম রাখার পরিবর্তে শরীর আরও বেশি খারাপ করে দেয়। তবে এবার দেখে নেওয়া যাক কি কি টোটকা ব্যবহার করে শীতকালে ঠান্ডাকে টা-টা বলতে পারেন...

সুখবর, অবশেষে ঝঞ্ঝা কেটে রাজ্যে আসছে শীত সুখবর, অবশেষে ঝঞ্ঝা কেটে রাজ্যে আসছে শীত

অবশেষে রাজ্যে আসছে শীত। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেও বাতাসে ঠাণ্ডার আমেজ না থাকায় হতাশ হয়েছিলেন অনেকে। অবশেষে সুখবর শোনাল আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা কেটে যাওয়ায় রাজ্যে ঢুকছে উত্তুরে হাওয়া। এর ফলে তাপমাত্রা কমবে বলে খবর।

শীত নেই, নেই উপার্জন শীত নেই, নেই উপার্জন

শীত আসা না-আসার ওপর নির্ভর করে তাঁদের উপার্জন। শীতকালে কাশ্মীরী শীত বস্ত্রের সম্ভার নিয়ে আসেন অফুরন্ত। কিন্তু প্রতিবারের চাহিদা এবারে একেবারেই নেই। সদাহাস্যময় শীতপসরার এই পরিযায়ীদের মুখে হাসিও নেই এখন।

এবার শীত দুর্লভ কলকাতায় এবার শীত দুর্লভ কলকাতায়

কিন্তু শীতের দেখা নেই। বরং ডিসেম্বরের ৫ তারিখেও বেশ গরম। আবহাওয়া দফতরের হিসেবে, তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি বেশি। ২০১৪ সালে আজকের দিনে কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রির সামান্য বেশি। আজ ২১ ডিগ্রি। কনকনে ঠাণ্ডা দূরে থাক ভরা ডিসেম্বরে শিরশিরানি হিমের পাওয়া যাবে কী না তা নিয়েও আশঙ্কায় আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমী ঝঞ্চার দাপটে শীতও এবার ধনীর, এসির তাপমাত্রা কমিয়ে ঘরে ঠাণ্ডা না বাড়ালে শীত এবার দুর্লভ। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে এখনই জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও,কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি আসতে পারেন শহরে।

৩ ডিগ্রি পারদ কমিয়ে, 'মিস্টার উইন্টার ইজ কামিং' ৩ ডিগ্রি পারদ কমিয়ে, 'মিস্টার উইন্টার ইজ কামিং'

এখনও তার দেখা নেই। তবে সে আসছে। এই মুহুর্তে শহরের ভিভিআইপি গেস্ট। মিস্টার উইন্টার। তিনি কবে তার দাপুটে ইনিংস শুরু করবেন তার দিকেই তাকিয়ে গোটা শহরবাসী। আকাশে মেঘ কেটেছে, তারসঙ্গে গতকালের হালকা বৃষ্টিতে তাপমাত্রার পারদ কিছুটা নেমেছে। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। গতকালের তাপমাত্রা ছিল ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে এখনই  জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও,কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি আসছেন।

ডিসেম্বরের শুরু, কিন্তু রাজ্যে কবে আসবে শীত? ডিসেম্বরের শুরু, কিন্তু রাজ্যে কবে আসবে শীত?

নভেম্বরও শেষ। খাতা খুলেছে ডিসেম্বর। অথচ শীতের দেখা নেই! উত্তুরে হাওয়ার সামনে চওড়া দিওয়ার হয়ে দাঁড়িয়ে তিন মাস্তান। নিম্নচাপ, এল নিনো আর দূষণ। তিন সমস্যার ফাঁসে বন্দি শীতবুড়োর আগমন। ডিসেম্বর পড়ে গেল। কিন্তু শীত কই? বাসে, ট্রামে, ট্রেনে এখন এটাই বড় প্রশ্ন। ঠান্ডার আমেজ দূরের কথা, এখনও ঘামছে শহর। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূমের মতো যেসব জেলায় এই সময় বেশ ঠান্ডা পড়ে, সেখানে শীতের দেখা নেই। রোদ ঝলমলে আবহাওয়ার বদলে আকাশে মেঘ। শীতবুড়োর আসার পথে পাহারা বসাল কারা?

দক্ষিণে নিম্নচাপ, উত্তরে আসতে সময় লাগবে কনকনে শীতের দক্ষিণে নিম্নচাপ, উত্তরে আসতে সময় লাগবে কনকনে শীতের

দক্ষিণ ভারতে নিম্নচাপের জেরেই এরাজ্য থমকে আছে শীত। আকাশ মেঘলা হওয়াতেই কমছে না তাপমাত্রা। জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গত কয়েক দিন ধরেই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। যার জেরে তামিলনাড়ু জুড়ে ভারী বৃষ্টি হওয়া বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গোটা তামিলনাড়ূই এখন হাঁটু জলের তলায়। সেই নিম্নচাপের পরোক্ষ প্রভাবেই এরাজ্যেও আকাশ মেঘলা। ঘন কোয়াশায় আচ্ছন্ন থাকবে শহর থেকে গ্রাম। ঠাণ্ডার অনুভূতি থাকলেও এখনই হার কাঁপুনি আমেজ আসছে না বাংলায়। আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই পরিস্থিতি থাকবে বলে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।

শীত আর দূরে নয় শীত আর দূরে নয়

অপেক্ষার শেষ। আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আসছে শীত। ইতিমধ্যেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আমেজ পেয়েছে মানুষ। হার কাঁপুনি ঠাণ্ডা নয় তবে ইতিমধ্যেই কনকনে হওয়া বইতে শুরু করেছে কলকাতার আকাশে বাতাসে। গ্রামের দিকেও বইছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় রবিবার রাত থেকেই কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা। জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

দক্ষিণ দাক্ষিণ্য না পেলেও উত্তরে জবাব দিচ্ছে শীত দক্ষিণ দাক্ষিণ্য না পেলেও উত্তরে জবাব দিচ্ছে শীত

দক্ষিণবঙ্গে তেমনভাবে শীত পড়েনি। কিন্তু উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত। বিশেষ করে দার্জিলিং জেলায়। পাহাড় থেকে সমতল, তাপমাত্রা এক ধাপে অনেকটাই নেমে গিয়েছে।