মহাকাশ ম্যারাথনের নতুন রেকর্ড এই নভশ্চরের

মহাকাশ ম্যারাথনের নতুন রেকর্ড এই নভশ্চরের

টিম পেক। ব্রিটিশ নভশ্চর। গড়লেন এক আশ্চর্য নজির। লন্ডন ম্যারথন সম্পূর্ণ করলেন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন থেকেই (ISS-International Space Station)। দৌড়ালেন ৪০০ কিলোমিটার (২৫০ মাইল)। এরপরই দাবি করলেন, তিনিই প্রথম জন যিনি সবথেকে দ্রুত ম্যারাথন সম্পূর্ণ করেছেন। তাঁর নাম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের তালিকায় নথিভুক্ত করা হয়েছে। গ্রহতে টিম পেক 'দ্রুততম' হলেও লন্ডনের রাজপথে জয়ী হয়েছেন জেমিনা সামসুং এবং ইলুড কিপোগে।

আজ কলকাতায় মহাকাশের গল্প শোনাবেন সুনিতা

মহাকাশে গিয়ে কি তিনি ভগবানকে দেখতে পেয়েছিলেন? মহাশূন্যে থাকাকালীন কার কথা তাঁর সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছিল? আজ সায়েন্স সিটিতে ছাত্রছাত্রীদের মুখোমুখি হয়ে এ রকমই সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন সুনীতা উইলিয়মস। জানালেন তাঁর মহাকাশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কথা।

মহাকাশকেও নিজের ঘরবাড়ি মনে হয়: সুনীতা উইলিয়ামস

মহাকাশকেও নিজের বাড়িই মনে হয়। ভারতে এসে এমন কথাই বললেন নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস। ৪৭ বছর বয়সী এই মহাকাশযাত্রী এদিন ন্যাশানাল সায়েন্স সেন্টারে বলেন "মহাকাশ অপূর্ব জায়গা... এখন মহাকাশকেও বাড়ি বলে মনে হয়।"

মহাশূন্যের মায়া কাটিয়ে পৃথিবীতে সুনীতা

দীর্ঘ ৪ মাসের মহাকাশ অভিযান শেষ। মহাকাশের সীমা ছেড়ে ভারতীয় সময় সকাল ৭.২৩ মিনিটে পৃথিবীর মাটিতে পা রাখলেন সুনীতা উইলিয়ামস। সঙ্গে ফিরলেন তাঁর দুই আকাশ সঙ্গীও। জাপানের এয়ারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির আকি হোশিদে এবং সয়ূজ কম্যান্ডার রাশিয়ার ইউরি মেলানশেঙ্কো। এবছর ১৫ জুলাই মহাকাশযান সয়ুজ টিএমএ ০৫ এমএ চড়ে সুনীতা পাড়ি দিয়েছিলেন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের উদ্দেশে। চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় মহিলা হিসেবে ইন্টারন্যাশাল স্পেস স্টেশনের কম্যান্ডার নিযুক্ত হন সুনীতা। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন ছাড়ার আগে নাসার আরেক মহাকাশচারী কেভিন ফোর্ডের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন সুনীতা।

মহাকাশের মায়া কাটিয়ে পৃথিবীতে ফিরছেন সুনীতা

দেখতে দেখতে মহাকাশে কেটে গেল ৪ মাস। অবশেষে পৃথিবীতে ফিরছেন মহাকাশচারী সুনিতা উইলিয়মস। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন আরও দুই মহাকাশচারী। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের দায়িত্ব সহকর্মী কেভিন ফোর্ডের হাতে তুলে দিয়ে ফিরছেন ভারতীয় বংশদভুত এই আমেরিকান মহাকাশচারী।

আন্তর্জাতিক স্পেস ষ্টেশনের দায়িত্বে সুনিতা উইলিয়ামস

সুনিতা উইলিয়ামসের মাথায় নতুন পালকের সংযোজন হল। এই ইন্দো-আমেরিকান মহাকাশচারিণী এবার একটি আন্তর্জাতিক স্পেস ষ্টেশনের দায়িত্বে নিযুক্ত হলেন। এরসঙ্গেই জায়গা করে নিলেন ইতিহাসের পাতায়। বিশ্বের ইতিহাসে দ্বিতীয় মহিলা হিসাবে এরকম একটি দায়িত্বে নিযুক্ত হলেন তিনি।

স্বাধীনতা দিবসে সুনীতার উপহার

আজ পঁয়ষট্টি পূর্ণ করল স্বাধীনতা। বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি, বিশ্বের বাইরে থেকেও ভারতবাসীর জন্য এসেছে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা। মহাকাশে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন থেকে পিতৃভূমির বাসিন্দাদের ১৫ অগাস্টের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নভোশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস।

মহাকাশে সুনীতা

দুদিন মহাশুণ্যে যাত্রা করে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুনীতা উইলিয়ামস ও তার দুই সহযাত্রী নভোশ্চর। ভারতীয় সময় সকাল ১০টা ২১ নাগাদ স্পেস স্টেশন পৌঁছয় তাঁদের মহাকাশযান। গত ১৫ জুলাই কাজাখিস্তান থেকে রুশ সয়ুজ টিএমএ-জিরোএমফাইভ যানে মহাকাশে রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা।

মহাকাশে পাড়ি সুনীতার

মহাকাশে পাড়ি দিলেন সুনীতা উইলিয়াম। ভারতীয় সময় রবিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে, কাজাকস্তানের বৈকোনুর কসমোড্রোম থেকে ৩ মহাকাশ বিজ্ঞানীকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের উদ্দেশে পাড়ি দিল সউজ টিএমএ জিরো ফাইভ মহাকাশযান।

ফের মহাকাশে সুনীতা

ফের মহাকাশে পাড়ি জমাচ্ছেন সুনীতা উইলিয়াম্স পান্ড্য। আজ কাজাকস্তানের বৈকোনুর কসমোড্রোম থেকে মহাকাশে পাড়ি দেবেন তিনি। `এক্সপেডিশন ৩২`-এর ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়র হচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা।