নাইট কাটিয়ে প্লেঅফে সানদের সূর্যোদয়, রঙ হারাল মাছরাঙারা

অবশেষে সানের প্লেঅফে সূর্যোদয় হল। পয়েন্ট তালিকায় প্লেঅফ থেকে একধাপ নিচে থাকায় একটা টান টান স্নায়ু যুদ্ধ চলছিল লক্ষ্মন-কৃষ্ণের ড্রেসিংরুমে। কোহলিদের বিরাট জয় আরও বারুদ যোগানের কাজ করে দেয়। তারপর একটাই পথ খোলা।

লাস্ট বয়কে হারিয়ে নাইটদের গম্ভীর হাসি

অবশেষে আর একটা জয়ের মুখ দেখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। পেপসি আইপিএলের দুর্বলতম দল পুণে ওয়ারিয়র্সের বিরুদ্ধে গতকাল ৪৬ রানে সহজে জয় তুলে নিল শাহরুখের নাইটরা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পুনের দুর্বল বোলিং বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও রকমে ১৫০ রানের বাউন্ডারিটা টপকান গম্ভীর এন্ড কোম্পানি। অধিনায়কের হাফসেঞ্চুরি আর রায়ান টেন দুসখাতে ৩১ রানের সৌজন্যে পুণের বিরুদ্ধে মোটামুটি ভদ্রস্থ ১৫৩ রানের টার্গেট দেয় কলকাতা। যদিও আইপিএলের নিরিখে ১৫২রানের সীমাটা কোনও ব্যাপারই নয় তবুও পুনের বর্তমান হালত এতটাই সঙ্গিন ওই কটা রান করতেই হিমশিম খেল যুবরাজরা। মাত্র ১৯.৩ ওভারে ১০৬ রানেই গুটিয়ে যায় পুণের ইনিংস। যুবরাজ থেকে ফিঞ্চ, পুণের সবাই যেন ঠিকই করে ফেলেছেন এবারে আইপিএলে লিগ টেবিলে শেষ জায়গাটা ছেড়ে তাঁরা একপাও নড়বেন না।

পাঠানের ব্যাট জাগল দেরিতে, নাইটদের প্লেঅফের স্বপ্ন এখনও অলীক

শুক্রবার ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্স খুব সহজে জয় ছিনিয়ে নিল রাজস্থানের কাছ থেকে। রাজস্থানের বিরুদ্ধে দূরন্ত জয়ের পর নাইট সমর্থকদের মধ্যে এখন একটাই আপসোস। ঘুম ভাঙতে দেরী হয়ে গেল না তো! কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙতে লাগত ছ`মাস। শুক্রবার রাতে গম্ভীরের দেখে মনে হল ঘুম ভাঙল এগারো ম্যাচ পর। এই যে ইউসুফ পাঠান নাইট জার্সিতে সর্বোচ্চ রান করলেন, কালিসকে দেখে মনে হল, এইতো সেই মিস্টার স্পেশাল কিংবা দলের ফিলডিং দেখে মনে হল করার.. লড়ার... জেতার ইচ্ছা আছে। এই সবই মনে হল ১১ ম্যাচ পর। দুর্গা প্রতিমাকে দশমীতে সিঁদুর রাঙানোর পর যখন বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তখন যদি কেউ অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলির মন্ত্র পড়ে, এই অবস্থাই হয়েছে নাইটদের। এখন নাইটদের সেই দশা। বাকি পাঁচটা ম্যাচে সবকটা জিতলেও প্লে অফে ওঠা নিশ্চিত নয়। নাইটদের ভাগ্য পুরোটাই এখন নির্ভর করছে অন্যদের খারাপ খেলার উপর।

নাইটের অন্ধকারচ্ছন্ন গলিতে প্লে-অফের জায়গা খুঁজছে রাজস্থান

হিসাব বলছে পেপসি আইপিএলে প্লে-অফের রাস্তা কলকাতা নাইট রাইডার্সের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। গতবারের চ্যাম্পিয়ানদের ঝুলিতে তাই বেঁচে থাকা কিঞ্চিৎ সম্মান ছাড়া বর্তমানে হারানোর কিছুই আর নেই। সেই পরে থাকা ছিটেফোঁটা সম্মান রক্ষার তাগিদে আজ বাজিগরের নাইটরা ইডেনে মুখোমুখি হচ্ছেন শিল্পা সুন্দরীর রাজস্থান রয়্যালসের।

আজ দ্বিমুখী বদলার ম্যাচে কলকাতার সামনে চেন্নাই

ঘরের মাঠে ধোনি ধামালের কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছিল নাইট বাহিনী। আজ ফিরতি খেলায় সিংহের গুহায় ঢুকে সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ গম্ভীরদের সামনে। পরপর তিন ম্যাচ হারের পর আগের ম্যাচে কিংস XI ইলেভেন পাঞ্জাবকে হারিয়ে কিছুটা চনমনে কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু সেই চনমনে ভাব বিধ্বংসী চেন্নাইয়ের উড়ান থামাতে কতখানি সক্ষম হবে সেই নিয়ে নাইটদের অন্দরমহলেই সন্দেহ প্রবল। খাতায় কলমে আজকের লড়াইটা লিগ টেবিলে দু`নম্বরে থাকা চেন্নাই কিংসের সঙ্গে সাত নম্বরে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্সের। এবারের আইপিএলের নিরিখে এটা কিং খানের দলের বদলার ম্যাচও বটে। কিন্তু এর আড়ালে আর একটি অমোঘ সত্যিও যে লুকিয়ে আছে। এই মাঠেই আইপিএল-৫-এর ফাইনালে ধোনির চেন্নাইকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন ট্রফিটা দখল করেছিল গম্ভীরের কলকাতা। সেই ইতিহাস মনে হয় না চেন্নাই দলের স্মৃতি থেকে মুছে গেছে। তাই এবারের হিসাবনিকাশের অলক্ষ্যেই আর একটা বদলার কাউন্টডাউনও কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। আর ২২ গজে প্রতিশোধের মামলায় মহেন্দ্র সিং ধোনি নামক ব্যক্তিটি যে কতখানি নির্মম সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞান আছে নাইট দলের সবারই। তাই আশা করা যায় আজ আরও অনেক ক্রিকেটিয় অঙ্কের সঙ্গে এই ফ্যাক্টরটিও মাথায় নিয়ে খেলতে নামবেন কলকাতার সৈন্যরা।

স্মিথের ব্যাটিং দাপটে সচিনময় কলকাতা অস্তমিত

ঘরের মাঠে মুম্বইয়ের কাছে হার নাইটদের। বুধবারের ম্যাচে ৫ উইকেটে কলকাতা হারই বড় নয়, বৃষ্টি ভেজা মাঠে দুই প্রত্যাশায় জটে ছিল শহর। এক গম্ভীরদের জয় আর দ্বিতীয়টি সচিনের জন্মদিনে ভগবানের দুরন্ত ব্যটিং। কিন্তু কেউই কোনও আশা রাখাতে পারেননি।

এবার ঘুরে দাঁড়াতেই হবে, বলছেন গম্ভীর

একের পর এক ম্যাচ হেরে কেকেআর-এর অবস্থা এখন কেকেহার। লিগ তালিকায় নাইটরা এখন সাত নম্বরে। আগামি তিন চারটে ম্যাচ পরপর জিততে না পারলে এখন থেকেই প্লে অফে ওঠার স্বপ্ন প্রায় মুছে যাবে। আর তাই কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক গৌতম গম্বীর বলছেন, `এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়াতেই হবে`।

ম্যাচের মাঝেই প্রকাশ্য ঝামেলা গম্ভীর-কোহলির

আইপিএলে ঝামেলায় জড়ালেন দিল্লির দুই ক্রিকেটার। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স-কেকেআর ম্যাচে  বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন গৌতম গম্ভীর এবং বিরাট কোহলি। গেইল ঝড়ে উড়ে যাওয়ার ম্যাচে সাক্ষী থাকল দুই ভারতীয় দলের ক্রিকেটারের প্রকাশ্য বিবাদ দেখে। ভাজ্জি-শ্রীশান্তের চড় কাণ্ডের মত ওতটা বাড়াবাড়ি না হলেও নিঃসন্দেহে আজকের কোহলি বাম গম্ভীর কাণ্ডটা নিয়ে ঝড় উঠবে।

গেইলের মস্তানিতে ক্রস বিদ্ধ কেকেআর

কোনও কোনও জিনিস থাকে যেখানে একজনের সঙ্গে আরেকটা জিনিস জড়িয়ে যায়। এই যেমন পিট সাম্প্রাস আর উইম্বলডন, বোল্ট আর অলিম্পিক, পেলে আর বিশ্বকাপ, ঠিক তেমনই আইপিএল আর ক্রিস গেইল। সেটাই ঘটল বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে।