দিনেদুপুরে বাড়িতে ঢুকে শ্লীলতাহানি, নিষ্ক্রিয় পুলিস

Update: April 17, 2012 14:12 IST

রবিবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এক বিজ্ঞানীর বাড়িতে হামলায় চালায় স্থানীয় একদল যুবক। অভিযোগ, ওই বিজ্ঞানী এবং তাঁর ৩০ বছরের কন্যাকে ব্যাপক মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে কন্যার শ্লীলতাহানি করে, তাঁকে ধর্ষণেরও চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। মানসিক ও শারিরীক নির্যাতনের শিকার হয়ে, তাঁরা সাহায্যের জন্য স্থানীয় থানায় ফোন করেন। থানা থেকে ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে এই ঘটনা ঘটলেও, পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় প্রায় ঘণ্টা দুয়েক পরে।

প্রথমে তারা অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলে দাবি আক্রান্ত বিজ্ঞানী ও তাঁর কন্যার। পরে তাঁরা স্থানীয় থানায় গেলে, সেখানেও তাঁদের অভিযোগ লিপিবদ্ধ না করেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। শেষে আইনজীবীদের পরামর্শে গতকাল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার পুলিস সুপারের কাছে গোটা বিষয়টি জানান আক্রান্ত বিজ্ঞানী এবং তাঁর নির্যাতিত কন্যা। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সকলেই স্থানীয় একটি ক্লাবের সদস্য বলে জানা গিয়েছে।






Post Your Comment

Total Comments:2

As per the media report thugs of both the parties were involved. It would appear therefore that social ostracization diktat issued by the TMC against the CPIM will not work where goons at the ground level collaborate.

dhekho di dhekho , ar koto di cholbe ai nirjaton, amra kon dese bas korchi?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।