Shruti Das: 'সবাই জানে আমার একটা মামলা চলছিল। আমি খুবই সাহায্য পেয়েছি। তাই একদমই যে খারাপ আইন বলব না। তবে এটা যদি দন্ডনীয় অপরাধ হয়ে যায় তাহলে এই বর্ণবৈষম্য করে নেতিবাচক কমেন্ট করা, অপমান করা, বডি শেমিং করা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।...'

সৌমিতা মুখোপাধ্যায়: দীর্ঘ দেড় বছর পর ফের ছোটপর্দায় ফিরছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি দাস। তাঁর নয়া ধারাবাহিক ‘রাঙা বউ’। এই ধারাবাহিকে তিনি একজন সাদামাটা গ্রামের মেয়ে। যাঁর বিয়ে হয় একটি সুদর্শন ছেলের সঙ্গে। কিন্তু বিয়ে করার শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথেই স্মৃতিভ্রষ্ট হয় তাঁর স্বামীর। তারপর...
প্র: পাখির সঙ্গে মিল কোথায়?
শ্রুতির মধ্যেই পাখি ছিল একটা সময়। সেই পাখিটাকেই বের করার চেষ্টা করছি। পাখি শ্রুতির থেকে অনেকটা ছোট। তাই পাখি যে বয়সটায় আছে, ঐ বয়সটায় শ্রুতিকে ফিরে যেতে হয়েছে। চেষ্টা করছি, ঐ নিষ্পাপ অন্তরটা তুলে ধরার।
প্র: সোশ্যাল মিডিয়ায় যতটা নানা বিষয় নিয়ে কথা বলতে দেখা যেত শ্রুতিকে, সেটা আর এখন দেখা যায় না। কেন?
কারণ আমি ক্লান্ত।
প্র: রাঙা বউ কী বর্ণবৈষম্যের গল্প?
না এখানে বর্ণ বৈষম্যের গল্প নেই। তবে এখানে মনের সৌন্দর্যকে গুরুত্ব দেওয়ার গল্প রয়েছে। যে ছেলেটিকে আমার বিপরীতে দেখা যাবে য়ে সুদর্শন, গৌরবর্ণ, রাজপুতের মতো চেহারা তাঁরা। তাঁর বাড়ির প্রত্যেক বৌদি ভীষণ সুন্দরী, ফর্সা, শাড়ি গয়নার আভিজাত্যে মোড়া। সেখানে দাঁড়িয়ে সে একজন সাদামাটা মেয়েকে ভালোবাসল। এটাই বার্তা যে, বাহ্যিক দর্শন বা বাহ্যিক সৌন্দর্য দিয়ে কিছু হয় না। অন্তরের সৌন্দর্যই সবকিছু।
প্র: আপনি বলেছিলেন, বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে আইন হওয়া উচিত, আপনি কী মনে করেন এই বিষয়ে?
আমি ভীষণ ক্লান্ত এই বিষয়ে কথা বলার জন্য। কারণ এটা বলতে গেলে অনেক বিষয়ে কথা বলতে হয়। আমি এই বিতর্ক থেকে দূরেই থাকতে চাই। কিন্তু তাও বলছি কারণ শ্রুতিও পাখির মতো খুব কথা বলে, আসলে বলে ফেলে। সবাই জানে আমার একটা মামলা চলছিল। আমি খুবই সাহায্য পেয়েছি। তাই একদমই যে খারাপ আইন বলব না। তবে এটা যদি দন্ডনীয় অপরাধ হয়ে যায় তাহলে এই বর্ণবৈষম্য করে নেতিবাচক কমেন্ট করা, অপমান করা, বডি শেমিং করা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। সেটা এখন নেই। সেটা হলে এগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।
প্র: এখন হট টপিক, শ্রুতি কবে রাঙা বউ হবে?
যা ঠান্ডা, এখন আর হট হতে পারছি না। বাইরে শ্যুটিং করতে যাচ্ছি, আগুণ জ্বেলে শ্যুট করতে যাচ্ছি। এখন কুশ শীলের বউ হয়েই খুশি। তবে ২০২২-এ বিয়ের যে পরিকল্পনা ছিল সেটা পিছিয়েছে কারণ তখন হাতে কাজ ছিল না, ভাবছিলাম বিয়ে করে নেব। তবে এখন যেহেতু হাতে কাজ আছে, তাই দুবছর আর বিয়ের পরিকল্পনা নেই।