)
অর্ণবাংশু নিয়োগী: শহরের বুকে পুলিস পরিচয় দিয়ে 'ছিনতাই'। মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে 'চম্পট' দুষ্কৃতীদের। থানায় নিয়ে যাওয়ার নাম করে ব্যবসায়ীকে ঘোরানোর অভিযোগ।
দেওঘর যাওয়ার জন্য বিধাননগর স্টেশনে অপেক্ষা করছিলেন পেশায় ব্যবসায়ী জোসিডির বাসিন্দা শ্যামসুন্দর। তাঁর ব্যাগে ছিল ২০ কেজি রুপো এবং ৩০ গ্রাম সোনা। অভিযোগ, প্রায় পৌনে ছ'টা নাগাদ চারজন অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি তাঁকে ঘিরে ধরে। তাদের পরনে ছিল হালকা নীল রঙের পোশাক। নিজেদের পুলিস বলে পরিচয় দেয় তারা। পুলিসের কার্ডও দেখায়। এরপর শ্যামসুন্দরবাবুকে থানায় যেতে হবে দাবি করে তারা। তাদের কথা বিশ্বাস করে স্টেশন থেকে বেরিয়ে একটি প্রাইভেট গাড়িতে ওঠেন ওই ব্যবসায়ী। প্রথমে তাকে দমদম নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগ, থানায় যাচ্ছে বলে তাঁর থেকে ব্যাগটা নিয়ে নেমে যায় তিনজন। অপরজন, তাঁকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বাইকে তুলে ঘুরতে থাকে। বলা হয়, "আপনি আমার সঙ্গে থাকুন। ওরা সেটেলমেন্ট করছে।" এরপর ব্যবসায়ীকে দমদম সেন্ট্রাল জেলের কাছে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেয় ওই ব্যক্তি। তখনই শ্যামসুন্দরবাবু বুঝতে পারেন তাঁর ব্যাগ ছিনতাই হয়েছে।

যে বাইকটিতে তিনি চড়েছিলেন সেই বাইকের নম্বরটি (WB07F4302) মনে ছিল শ্যামসুন্দর বাবুর। সঙ্গে সঙ্গে দমদম থানায় যান তিনি। সেখান থেকে তাঁকে বিধাননগর জিআরপি'তে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাঁকে শিয়ালদহ জিআরপি'র কাছে পাঠানো হয়। ব্যবসায়ীর অভিযোগ, পুলিস প্রথমে অভিযোগ না করার পরামর্শ দেয়। এরপর তাঁকে ২০ কেজির বদলে ১০ কেজি রুপোর কথা অভিযোগপত্রে লিখতে বলে। ওই ব্যবসায়ী বলেন, "ওরা বলল বলে লিখে দিয়েছিলাম। ওটা কোনও কালো টাকা নয়। সব কাগজ ছিল।"