'ভাইজান'কে মঞ্চে দেখেই থামলেন Adhir, বুঝিয়ে রাজি করালেন Biman-Salim

বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোটে ফাটল? 

Updated By: Feb 28, 2021, 06:37 PM IST
'ভাইজান'কে মঞ্চে দেখেই থামলেন Adhir, বুঝিয়ে রাজি করালেন Biman-Salim

নিজস্ব প্রতিবেদন: ব্রিগেডে জোটের শক্তি দেখাতে চেয়েছিল আলিমুদ্দিন। কিন্তু, সভামঞ্চেই ছন্দপতনের ছবি। বক্তৃতা মাঝপথে থামিয়ে পোডিয়াম ছাড়তে উদ্যত হলেন অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। সেই বিড়ম্বনা এড়ালেন মহম্মদ সেলিম (Md Salim) ও বিমান বসু (Biman Basu)। আর নিজের ভাষণে আব্বাস সিদ্দিকিও (Abbas Siddiqui) স্পষ্ট করে দিলেন,'কংগ্রেসের প্রতি নমনীয় হবেন না। তাঁর স্পষ্ট বার্তা,''ভাগীদারি করতে এসেছি। কারও তোষণ করতে আসিনি।'           

বামেদের সঙ্গে আসন রফা সারা আইএসএফের (ISF)। ৩০টি আসন তাদের ছাড়া হয়েছে বলে এ দিন ব্রিগেডের মঞ্চে জানিয়ে দিয়েছেন আব্বাসও (Abbas Siddiqui)। কিন্তু, কংগ্রেস এখনও অনড়। মুর্শিদাবাদ ও মালদহে আইএসএফ-কে একটি আসনও ছাড়তে নারাজ প্রদেশ নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, রাজ্যে নেতৃত্বের উপরে হতাশ আবদুল মান্নান (Abdul Mannan)। শুরু থেকে আইএসএফের (ISF) সঙ্গে কথা তিনিই বলছিলেন। সেই আবদুল মান্নান, কংগ্রেস সভানেত্রীকে চিঠি দিয়ে আলোচনাপ্রক্রিয়া থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। এমন প্রেক্ষাপটেই ব্রিগেডে জোটের জট একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বক্তব্য রাখার সময় মঞ্চে উঠলেন আব্বাস সিদ্দিকি। আর তাঁকে দেখে 'ভাইজান, আব্বাস' বলে গর্জন শুরু করেন আইএসএফ সমর্থকরা। সিপিএম নেতারাও তাঁর সঙ্গে কুশল বিনিয়ম করেন। এমতাবস্থায় বক্তৃতা থামিয়ে দিতে কার্যত বাধ্য হন অধীর। পোডিয়াম ছাড়তে উদ্যত হন। তখন এগিয়ে আসেন মহম্মদ সেলিম (Md Salim) ও বিমান বসু (Biman Basu)। আব্বাস সিদ্দিকিকেও কিছু কথা বলতে শোনা যায়। ভাষণ শুরু করেন অধীর। হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন বাম নেতারা।                         
   
জোটে ফাটল যে বেশ গভীর তা বোঝা গেল আব্বাস সিদ্দিকির ভাষণে। বিমান বসু, মহম্মদ সেলিমদের নাম করলেন। অথচ অধীরের নামোল্লেখ নেই। ভাষণের শুরুতে আব্বাস বলে দিলেন,'বাম শরিকরা যেখানে দাঁড়াবে সেখানে অতীত ভুলে জেতাতে হবে।' আর শেষপর্বে আরও চাঁচাছোলা। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা বলেন,'অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, বাম শরিক দলের কথা বললেন। আপনি কংগ্রেসের বেলায় বললেন না কেন? স্পষ্ট জানিয়ে দিই, ভাগীদারি করতে এসেছি, তোষণ করতে আসিনি। ভাগীদারি চাই। আদিবাসী, ওবিসি ও মুসলিমদের হক বুঝে নিতে হবে। কেউ বন্ধুত্বের হাত বাড়ালে দরজা খোলা আছে।' লেই সময়ে মঞ্চে ছিলেন অধীর চৌধুরী। তবে ছত্তীসগঢ়ের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী  ভূপেন্দ্র সিং বাঘেলের ভাষণের পর মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন অধীর-সহ কংগ্রেস শিবির। তখনও বক্তৃতা বাকি মহম্মদ সেলিম ও দেবলীনা হেমব্রমের। 

আরও পড়ুন- সঙ্গে বিমান-অধীর-আব্বাস আছে, আমাদেরই হবে জয়: Salim