ভোটের আগে কমিশনের চাপে তত্‍পর পুলিস, জালে একের পর এক দাগী আসামী

গত কয়েক বছরে যা করে উঠতে  পারেনি রাজ্য পুলিস, এবার কমিশনের চাপে সেই অসাধ্যই সাধন করলেন উর্দিধারীরা। ভোটের মুখে কমিশনের চাপে রাজ্যজুড়ে জারি ধরপাকড়।   দুপুরে উপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সন্দীপ সাক্সেনার সঙ্গে বৈঠক জেলা পুলিস প্রশাসনের তাবড় কর্তারা। আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে যথেষ্ট ফাপরে পড়তে পারেন SP, DMরা।আর তার আগেই  তত্পরতা পুলিস মহলে।  পুরশুড়ায় পুলিসের জালে  দুহাজার নয় থেকে ফেরার তৃণমূল নেতা শেখ ফরিদ ওরফে টিঙ্কু।  কালও বছর খানেক পুলিসের খাতায় ফেরার থাকার পর কেতুগ্রামে জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুই দাপুটে তৃণমূল নেতা।   রায়নায় সিপিএম কর্মী খুনে অভিযুক্ত দুই তৃণমূল কর্মীকেও কালই গ্রেফতার করে পুলিস। গ্রেফতার করা হয় কাশীপুরে তৃণমূলের দাপুটে নেতা আনোয়ার খানকেও।   ভোটারদের আস্থা ফেরাতে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চই নয়। বরং আরও কঠোর পদক্ষেপ যে নেওয়া হবে, কাশীপুর রায়না কেতুগ্রামের পর আজ পুরশুড়ায় গ্রেফতারিতে তেমনই বার্তা কমিশনের।

Updated By: Mar 13, 2016, 11:42 AM IST
ভোটের আগে কমিশনের চাপে তত্‍পর পুলিস, জালে একের পর এক দাগী আসামী

ওয়েব ডেস্ক: গত কয়েক বছরে যা করে উঠতে  পারেনি রাজ্য পুলিস, এবার কমিশনের চাপে সেই অসাধ্যই সাধন করলেন উর্দিধারীরা। ভোটের মুখে কমিশনের চাপে রাজ্যজুড়ে জারি ধরপাকড়।   দুপুরে উপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সন্দীপ সাক্সেনার সঙ্গে বৈঠক জেলা পুলিস প্রশাসনের তাবড় কর্তারা। আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে যথেষ্ট ফাপরে পড়তে পারেন SP, DMরা।আর তার আগেই  তত্পরতা পুলিস মহলে।  পুরশুড়ায় পুলিসের জালে  দুহাজার নয় থেকে ফেরার তৃণমূল নেতা শেখ ফরিদ ওরফে টিঙ্কু।  কালও বছর খানেক পুলিসের খাতায় ফেরার থাকার পর কেতুগ্রামে জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুই দাপুটে তৃণমূল নেতা।   রায়নায় সিপিএম কর্মী খুনে অভিযুক্ত দুই তৃণমূল কর্মীকেও কালই গ্রেফতার করে পুলিস। গ্রেফতার করা হয় কাশীপুরে তৃণমূলের দাপুটে নেতা আনোয়ার খানকেও।   ভোটারদের আস্থা ফেরাতে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চই নয়। বরং আরও কঠোর পদক্ষেপ যে নেওয়া হবে, কাশীপুর রায়না কেতুগ্রামের পর আজ পুরশুড়ায় গ্রেফতারিতে তেমনই বার্তা কমিশনের।

কমিশনের চাপে তত্‍পর পুলিস। জালে একের পর এক দাগী আসামী। জালে গত কয়েকবছর ধরে ফেরার অভিযুক্তরাও। এবার হুগলির পুরশুড়া। গতকাল গ্রেফতার দুহাজার নয় সাল থেকে বেপাত্তা তৃণমূল নেতা সেখ ফরিদ ওরফে টিঙ্কু। নেতার বিরুদ্ধে পুলিসের খাতায় রয়েছে খুন,রাহাজানি,ঘর পোড়ানো,মারধর সহ একাধিক অভিযোগ।  গতকালই পুরশুড়ার ন্যাওটা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিস।  ধৃত নেতার অভিযোগ, বিনা কারণেই ফাঁসানো হয়েছে তাকে। বিরোধীদের প্রশ্ন, ভোটের আগে প্রশাসনের কেন এই তত্‍পরতা? কী  করেই বা সাত বছর পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে গা ঢাকা দিল খুনের দায়ে অভিযুক্ত নেতা।