)
জ্য়োতির্ময় কর্মকার: মানহানি মামলায় আপাতত স্বস্তিতে রাহুল গান্ধী। কীভাবে? জামিনের মেয়াদ বাড়ল। ১৩ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানি সুরাত আদালতে।
ঘটনাটি ঠিক কী? লোকসভা ভোট তখন দোরগোড়ায়। দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার চলছিল জোরকদমে। ২০১৯ সালে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেছিলেন রাহুল গান্ধী। বলেছিলেন, 'সব মোদীরা কেন চোর হয়'? এরপর মামলা গড়ায় আদালত।
কীভাবে? রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন গুজরাতের প্রাক্তন মন্ত্রী, বিজেপি পূর্ণেন্দু মোদী। তাঁর অভিযোগ, গোটা মোদী সম্প্রদায়কে অপমান করেছেন রাহুল। সময় লাগল ৩ বছরেরও বেশি। সেই মামলার প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতিকে দোষী সাব্য়স্ত করে সুরাত আদালত। তাঁকে ২ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। এমনকী, সাংসদ পদও খারিজ হয়েছে রাহুল গান্ধীর!
আরও পড়ুন: আত্মহত্যায় বাধা মেয়ের, ৮ বছরের নাবালিকা খুনে পর্দাফাঁস বাবার অমানবিক কীর্তির!
এদিকে চুপ করে বসে নেই রাহুলও। নিম্ম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সুরাতের জেলা দায়রা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। মামলাটির শুনানি হল এদিন। ফের নতুন করে রাহুল গান্ধীকে জামিন দিলেন বিচারক। আদালতের নির্দেশ, পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত রাহুলের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।
এর আগে, ধর্মতলায় ধরনা মঞ্চ থেকে নাম না করে রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'আমি যতবার দিল্লি গিয়েছি, আমার বাড়ির সামনে চারটে লোককে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এমনকী, বিদেশে যখন গিয়েছি, তখন বাংলা গণহত্যা করেছি বলে পাঁচটা লোককে টাকা দিয়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। কই সেটা করলে দোষ হয় না। আর বিদেশে গিয়ে কেউ যদি বলে, আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারছি না। তার জন্য শাস্তি হয়ে যায়'।