তেলঙ্গানায় সরকার তৈরির ‘মূল কারিগর’ হবে বিজেপিই, দাবি গেরুয়া শিবিরের

ইতিমধ্যে বিজেপির প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে টিআরএস নেতৃত্ব। তেলঙ্গানার রাজ্য বিজেপি সভাপতি লক্ষ্মণ জানান, ওয়েইসি এবং কংগ্রেসের হাত না ধরলে চন্দ্রশেখর রাও-কে সমর্থন করবে বিজেপি

Updated By: Dec 10, 2018, 01:54 PM IST
তেলঙ্গানায় সরকার তৈরির ‘মূল কারিগর’ হবে বিজেপিই, দাবি গেরুয়া শিবিরের
ফাইল চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন: তেলঙ্গানায় ‘নির্ণায়ক শক্তি’র ভূমিকা নিতে পারে বিজেপি। এমনটাই দাবি রাজ্য বিজেপি সভাপতি কে লক্ষ্মণ। বুথ ফেরত্ সমীক্ষায় তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির (টিআরএস) ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। আবার বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে টিআরএস এবং কংগ্রেস জোট পিপল’স ফ্রন্টের হাড্ডা লড়াই হওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। বিজেপি শিবিরের মতে, মঙ্গলবার যদি দ্বিতীয় সম্ভাবনাটি বাস্তবায়িত হয়, তা হলে সরকার গঠনে একমাত্র নির্ণয়ক শক্তি হবে তারাই। তখন দেখার, টিআরএস কোন পথে যায়?

আরও পড়ুন- বাজার খুলতেই সেন্স হারালো সেনসেক্স, দর কমল টাকার, ব্যাপক পতন বিশ্ব বাজারেও

ইতিমধ্যে বিজেপির প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে টিআরএস নেতৃত্ব। তেলঙ্গানার রাজ্য বিজেপি সভাপতি লক্ষ্মণ জানান, ওয়েইসি এবং কংগ্রেসের হাত না ধরলে চন্দ্রশেখর রাও-কে সমর্থন করবে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের এই প্রস্তাব সরাসরি খারিজ করে টিআরএস নেতৃত্ব জানায়, একাই তারা সরকার গঠন করবে। বিজেপি যদি নির্ণায়ক শক্তি হয়ে দাঁড়ায়, তা হলে কোনওভাবে আসাউদ্দিন ওয়েইসির অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন এবং কংগ্রেসকে সমর্থন করবে না। বিজেপির দাবি, এরপর অনেক পথ খোলা থাকবে। শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেই এগোনো যাবে।

আরও পড়ুন- কমিশনের নয়া নির্দেশিকা, মঙ্গলবার ৫ রাজ্যে ভোটের ফলপ্রকাশে দেরি হতে পারে অনেকটাই

উল্লেখ্য, তেলঙ্গানার ১১৯টি আসনেই লড়ছে বিজেপি। টিআরএস-ও একাই লড়ছে সবকটি আসনে। অন্যদিকে বিপক্ষ শক্তি হিসাবে লড়ছে কংগ্রেস, সিপিআই, তেলঙ্গানা জন সমিতি এবং তেলুগু দেশম পার্টির জোট পিপল’স ফ্রন্ট।

গত ৭ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ হয় তেলঙ্গানায়। প্রায় ৭৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে মাদিরা বিধানসভা কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি (৯১.৬৫ শতাংশ)   এবং চারমিনারে সবচেয়ে কম  (৪০.১৮) ভোট পড়েছে। বেশ কিছু জায়গায় ভোটার তালিকায় নাম না থাকার অভিযোগ ওঠে। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রাক্তন শাটলার জ্বালা গুট্টাও।