প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছিলেন, না শুনে ভুল হয়েছে,স্বীকারোক্তি চন্দ্রবাবুর

অন্ধ্রপ্রদেশের দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রতিবাদে এনডিএ জোট ছাড়েন চন্দ্রবাবু। এরপর কংগ্রেসের হাত ধরেন তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী।

Updated By: Oct 15, 2019, 04:46 PM IST
প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছিলেন, না শুনে ভুল হয়েছে,স্বীকারোক্তি চন্দ্রবাবুর

নিজস্ব প্রতিবেদন: ঠেকে শিখলেন নাইডু? বিধানসভা ভোটে ধাক্কা খাওয়ার পর ভুল মেনে নিলেন  তেলুগু দেশম পার্টির সুপ্রিমো। নরেন্দ্র মোদীর হাত ছাড়ার সিদ্ধান্ত যে তাঁকে ডুবিয়ে ছেড়েছে, তা দলীয় কর্মীদের সভায়  স্বীকার করলেন নাইডু।  তাঁর মতে, নরেন্দ্র মোদী সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের জেরে বিধানসভা ভোটে হেরেছে তাঁর দল। 

অন্ধ্রপ্রদেশের দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রতিবাদে এনডিএ জোট ছাড়েন চন্দ্রবাবু। এরপর কংগ্রেসের হাত ধরেন তত্কালীন  মুখ্যমন্ত্রী। মহাজোটের অন্যতম কুশীলবও হয়ে ওঠেন। এসেছিলেন নবান্নে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকও করেন। কিন্তু নিজের গড়ই বাঁচাতে পারেননি চন্দ্রবাবু।  ১৭৫টি আসনের মধ্যে ওয়াইএসআর কংগ্রেস পেয়েছে ১৫১টি। সাকুল্যে ২৩টি গিয়েছে টিডিপি-র ঝুলিতে। শনিবার বিশাখাপত্তনমে দলীয় কর্মীদের সভায় চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন,''অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাত পরাজয়ের অন্যতম কারণ। কেন্দ্রের বিরোধিতা করেছিলাম। কিন্তু তার দাম দিতে হয়েছে টিডিপি-কে। অথচ রাজ্যের কোনও লাভ হয়নি। আলোচনা করে বিবাদ মিটিয়ে নেওয়া উচিত ছিল। আগামী দিনে এমন ভুল যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।''                       

দেশের বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে 'ফ্যাসিস্ত' বলা নাইডুর গলাতেই শোনা গিয়েছে উলটো সুর। তাঁর কথায়,''রাজ্যের ভালো চেয়েছিলাম। আমার সঙ্গে মোদীর কি শত্রুতা ছিল?  অন্ধ্রের মানুষের কথা ভেবেছিলাম। এসব নিয়ে ভাবতে হবে। তৈরি করতে হবে আগামীর পরিকল্পনা।'' তাঁকে হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সে কথা স্মরণ করিয়ে  চন্দ্রবাবু দাবি করেছেন,''প্রধানমন্ত্রী আমায় সতর্ক করেছিলেন, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ফাঁদে পড়ছেন আপনি।  তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না। এনডিএ-তে থাকুন।''                    

সূত্রের খবর, ভুল শুধরে নিতে তদ্বির শুরু করে দিয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। অভিনেতা পবন কল্যাণের জনসেনা পার্টির সঙ্গে কথা চলছে তাঁর। ফিরে আসতে পারেন এনডিএ জোটেও। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে টিডিপি-বিজেপি ও জিএস একসঙ্গে নির্বাচনে লড়াই করেছিল। 

আরও পড়ুন- পাটনা মেডিক্যাল কলেজে বিক্ষোভ, কালি ছিটিয়ে দেওয়া হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গায়ে